All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

বাচ্চা খাবার মুখে নিয়ে বসে থাকে, গিলে না? সমাধানের কিছু টিপস।

আমার বাচ্চা চিপস, চকলেট, সস আর ফাষ্টফুড পাগল। কেউ বা বলেন বিজ্ঞাপন বা গান না দেখালে বাচ্চা খায় না। প্রশ্ন হল বাচ্চারা তো বিজ্ঞাপন, চা, কোক, চিপস, চকলেট, সস, ফাষ্টফুড চিনে না ওকে এসব খাইয়ে অভ্যাস করেছেন কেন?

আসলে অনেক মায়েরা তাদের বাচ্চাদের খাবার নিয়ে একটুবেশি চিন্তিত থাকেন বলে খাবারের ক্ষেত্রে কোন রুটিন মেনে চলেন না। আর এই অনিমিয়ত খাদ্যাভ্যাসের দরুন ধীরে ধীরে খাবারের প্রতি অনীহা তৈরি হয়।

ক্ষুধা লাগলে শিশু খাবে এটা স্বাভাবিক; আর খাবার হজম হলেই শিশুর ক্ষিদে লাগবে। যদি খাওয়ার সুনির্দিষ্ট সময় ছাড়া অন্য সময়ে শিশুকে কিছু খাওয়ানো হয়, তবে যে সমস্যাগুলো দেখা দেয় তা হল-

  • ১. যে খাবার পেটে আছে, তা ঠিকমতো হজম হবে না।
  • ২. যে খাবার তাকে দেয়া হয় তা সে পুরোপুরি খাবে না, কারণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার খিদে লাগেনি।
  • ৩. খাবার দেয়ার ফলে তার যখন ক্ষিদে লাগার কথা ছিল, সেই খিদেটা তখন লাগবে না। ফলে সে পরিমাণে আরো কম খাবে। জোর করলেও কোনো লাভ হবে না। বরং বমি ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

সাধারণত যেসব কারণে শিশু খেতে চায় না তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

  • ১. জোরপূর্বক খাওয়ানো। জোর করে খাওয়ানোর ফলে শিশুর মধ্যে প্রচ-ভাবে খাদ্য অনিহা দেখা দেয়।
  • ২. অনেক সময় শক্ত খাবার, অপছন্দের খাবার এবং একই খাবারের পুনরাবৃত্তি করে খাওয়ালে খাবারের প্রতি শিশুর অনীহা তৈরি হয় এবং সে খাবার দেখলে ভয় পায় বা বমি করে ফেলে।
  • ৩. ছোট শিশুদের ঘ্রাণেন্দ্রিয় বেশ স্পর্শকাতর। খাবারের গন্ধ এবং রঙ যদি ভালো না হয় বাচ্চারা সে খাবার খেতে চায় না, মুখ থেকে ফেলে দেয়।
  • ৪. অনেক সময় শরীরের জিনঘটিত কারণে কিছু কিছু খাবারের গন্ধ বা স্বাদ বাচ্চারা সহ্য করতে পারে না। এর ফলে তারা সব ধরনের খাবার খেতে চায় না, বেছে বেছে খায়।
  • ৫. হজম প্রক্রিয়াতে সমস্যা থাকায় অনেক বাচ্চার খিদে কম পায় এবং খাবার ইচ্ছা থাকে না। এ কারণেও অনেক বাচ্চা খাবার নিয়ে বায়না করতে পারে।

 

  • ৬. যেসব শিশুদের ঘন ঘন মুড পরিবর্তন হয়, তারা খাবার নিয়ে সমস্যা করে বেশি। নিজের স্বাধীন মেজাজ বোঝানোর জন্য বা বজায় রাখার জন্য অনেক শিশু খাবার নিয়ে বায়না ও জেদ করতে থাকে।
  • ৭. শিশুর খাবার না খেতে চাওয়ার পেছনে অনেক সময় সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার কাজ করে। যেসব বাচ্চার মা অতিরিক্ত আদর বা শাসন করে, সে বাচ্চাদের মধ্যে খাবার নিয়ে ঝামেলা করার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
  • ৮. অনেক মা শিশুকে নিয়মমাফিক খাওয়ানোর মাঝে কান্নামাত্রই মায়ের দুধ খাওয়ান বা অন্যান্য খাবার খাওয়ান। এই অনিমিয়ত খাবারের দরুন শিশুর খাবারের রুচি ও ক্ষিধা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সে খাবার খেতে অনীহা প্রকাশ করে।
  • ৯. কোনো কোনো বাড়িতে শিশু নিজের খাবার সময় ছাড়া অন্য সময়ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য বা আত্মীয়-স্বজন সবার সাথে খায়। আবার অনেক মা তার শিশু সাতটার সময় পেটভরে খায়নি বলে আটটার সময় তাকে আরেকবার খাবার দেন, নয়টার সময় আবার চেষ্টা করেন এবং এমনিভাবে সারাদিন ধরেই প্রচেষ্টা চলতে থাকে। এসব অভ্যাসই শিশুর খাবারের প্রতি অনীহা তৈরি করে।
  • ১০. মুখ ভর্তি করে খাবার দিলে অনেক সময় তার গিলতে সমস্যা হয়। যার ফলে খাবার গ্রহণে শিশু অনীহা প্রকাশ করতে পারে।

শিশুকে খাওয়ানোর নিয়ম : প্রকৃত পক্ষে শিশুর মূল খাদ্যাভ্যাস তৈরি করতে হবে ছয় মাস বয়স থেকে, যখন সে মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার খেতে শুরু করে। শিশুকে দৈনিক চার-পাঁচবার অল্প অল্প করে পরিপূরক খাবার খেতে দিতে হবে। শিশুর পরিপূরক খাবার অবশ্যই সুষম হতে হবে। এজন্য সবজি, ডাল, মাছ বা মুরগির মাংস এবং তেল দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে দেয়া যেতে পারে। এছাড়া শিশুকে ডিম, সুজি পাশাপাশি বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।

চকোলেট চিপস এসব খাবারের কারণে কি শিশুর রুচি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে?

দেখা যায়, অভিভাবকরা শিশুকে আদর করে চিপস দিয়ে দিচ্ছে। এসব চিপসে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেগুলো খেলে বাচ্চারা অনেকক্ষণ পর্যন্ত না খেয়ে থাকতে পারে। একটি নেশাও হয়ে যায়। এই চিপসের মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যেগুলোর কারণে তার আরো চিপস খেতে ই্চ্ছে করে। ধরেন, আমি যদি ১২টায় চিপস খাই, ১টা-১টা ৩০ মিনিটের দিকে ভাত আর খাব না। সুতরাং মায়েদের অবশ্যই আচার, চকোলেট, চিপস, জুস, চানাচুর, বাইরের শিঙ্গাড়া, ফাস্টফুড ইত্যাদি এড়িয়ে যেতে হবে। তাহলে আমার মনে হয় শিশু ঘরের খাবার খাবে। আরেকটি বিষয় রয়েছে।

আরেকটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে কোয়েকার্স খাওয়াবে। কোয়েলের ডিম খাওয়াতে হবে। এর কোনো প্রয়োজন নেই। ব্রকলির চেয়ে ফুলকপির পুষ্টিগুণ কম নয়। আমাদের যে দেশীয় খাবার, সহজ ভাষায় যাকে বলি ‘বাড়ির হাঁড়ির খাবার’, সে খাবার একটু নরম করে খাওয়াতে হবে।
একেবারে ব্লেন্ডারে দেবেন না। বাচ্চা তো বড় হয়, তার মাড়ি শক্ত হয়, দাঁত ওঠে- এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। তাকে অবশ্যই একটু শক্ত খাবার দিতে হবে।

Source:20fours

শিশুদের দেহে বড়দের তুলনায় পানির ভাগ বেশি থাকে। রোজাতে শিশুদের পানিশূন্যতা বেশি হয়। রোজাতে শিশুদের অনেকক্ষণ খাবার না খেয়ে থাকতে হয় বলে মাথাব্যথা, বমি বমি..

Read More

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More