সন্তানকে হাঁটতে শেখানোর সঠিক নিয়ম জানুন

এমন অনেক শিশুই আছে যারা দেরিতে হাঁটা শেখে। তবে শিশুর এই দেরি করে হাঁটা জিনগত কোন বৈশিষ্ট্য নয়। এটা মূলত নির্ভর করে চেষ্টার উপর। তবে এই চেষ্টা কেবল যে শিশুদের করতে হয় তা কিন্তু নয়, এমন ধারনা রাখাটা ভুল। চেষ্টাটা মূলত অভিভাবককেই করতে হয়। তবে সেই চেষ্টাটা অবশ্যই সঠিক নিয়মে হওয়া জরুরী। টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় শিশুর হাটা শেখা নিয়ে প্রকাশ হয়েছে দারুন কিছু টিপস। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই টিপস গুলো-

মাসাজ: মাঝে মাঝে গোলগাপ্পা হাত ও পাগুলোকে আলতো করে মাসাজ করুন। এতে লিম্ব মাংসপেশি নিজের কাজ বুঝে নেয়ার জন্য তৈরি হবে। তবে এ ধরনের মাসাজের জন্য শিশুর শরীর তৈরি হয়েছে কিনা তা জানতে আগে শিশু বিশেষজ্ঞদের চেম্বার ঘুরে আসুন।

কোলো থেকে নামান: এটা পরীক্ষিত সত্য যে সারাক্ষণ কোলে রাখলে শিশু অলস হবেই। তাই কান্নাকাটি খানিকটা উপেক্ষা করে বেশিরভাগ সময় হামাগুড়ি দিতে দিন, যাতে ওরা নিজের পায়ের কাজটা বুঝতে শেখে।

আগেই শুরু হোক: বয়স আরেকটু হোক, আপনাতেই হাটা শিখে যাবে, এমনটা ভাবলেই শিশু নিজের পায়ে দাঁড়াতে সময় নেবে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন বয়স সাত মাস হতেই শিশুকে হাটি হাঁটি পা পা করাতে হবে। মাসল মেমোরি বলে একটা কথা আছে। যার কারণে আমরা হাটা শিখি, মশা তাড়াতে জানিও গিটার বাজানো শিখতে পারি। যত দ্রুত শিশুকে ধরে ধরে হাঁটানোর যত প্র্যাকটিস করানো হবে, কত তৈরি হবে তার মাসল মেমোরি তথা মাংসপেশির স্মৃতি।

খালি পা: পায়ের নিচে মাটি টা কেমন, সেটা অনুভব করা চাই। এতে করে হাঁটার ওপর নিয়ন্ত্রণ তৈরি হবে ভালোমতো। সারাক্ষণ জুতা পায়ে হাটতে গেলে দেখা যাবে খানাখন্দ উঁচু-নিচু পথ পাড়ি দিতে অবচেতন মন বাধা দেবে শিশুকে। তাছাড়া খালি পায়ে হাঁটলে ভারসাম্যের ব্যপারটাও পক্ত হবে।

শুধু কথায় পা চলবে না: শিশুতো শিশুই। এমনি এমনি বললে কি আর শুনবে? খানিকটা হেঁটে এগিয়ে আসলেই মিলবে একটা চকচকে লাল খেলনা, তবেই না তার মগজের তৈরি হবে হাঁটার সূত্র!

ছন্দে ছন্দে: সাধারণ ছন্দ কিন্তু শিশুর মগজের হাঁটার উদ্দীপনা তৈরী করতে পারবে।

দেখেও শিখুক: নিজে বসে থেকে শিশুকে শুধু হাটালে হবে না। তাকে দেখাতে হবে। বাসা থেকে কি করে সোজা হয়ে উঠতে হয়, কি করে পা ফেলতে হয় এসব যত দেখবে ততো দ্রুত দৌড়াতে শিখবে ওরা।

cl: womenscorner

Sharing is caring!

Comments are closed.

error: Content is protected !!