All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

বাচ্চার হাত ও পায়ের যত্ন

বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেরই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা প্রয়োজন। আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো হাত ও পায়ের সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা। আর

শিশুকে গরম পানিতে গোছল করানো যাবে কিনা?

শিশুর মাথার ত্বক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য গোসলের কোন বিকল্প নেই। শিশুকে হালকা গরম পানিতে গোসল করালেও মাথা ধোয়ানোর সময় স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করতে

শিশুরা সাধারণত কত মাস বয়সের মাঝে হাঁটা শেখে ?

৩ মাসে বাচ্চাদের নেক (ঘাড়ের) কন্ট্রোল আসে। এরপর ঘাড় ঘুরাতে পারে। ৬ মাসে কোমরের কন্ট্রোল মানে উঠে বসতে শিখে। আর হাটাটা ১০ মাসের দিকে সাধারনত

বাবা মায়েরা অনেকসময় সন্তানের কাছ থেকে ভালো কিছু হাসিল করে নিতে এমন প্রতিশ্রুতি দেন, যা আসলে তারা রাখতে পারবেন না। এই ধরনের বিভ্রান্তি সন্তানের মনে কিভাবে প্রভাব ফেলতে পারে?

এই ধরণের প্রতিশুতি কদাপি করা উচিৎ নয়। এতে করে ছোটরা একদিকে যেমন বাবা-মায়ের প্রতি আস্থা হারায় , অন্যদিকে নিজেরাও ধোকাবাজী করতে শেখে । আরও একটা

নবজাতককে মধু খাওয়ানো আমাদের দেশে একটি ব্যাপক প্রচলিত প্রথাI এটি কি শুধুই একটি লোকজ সংস্কার, নাকি এর কোনো স্বাস্থ্যগত কারণ আছে?

এটি একটি প্রচলিত বিশ্বাস যে এতে নাকি বাচ্চাটি মিষ্টভাষী হবে যা নির্ঘাত কুসংস্কার ছাড়া আর কিছুনা। কিন্তু যেহেতু এগুলো জীবাণুমুক্ত নয় তা খাওয়ানোর পর শিশুর

শীতের দিনে শিশুদের গোসল করানোর ব্যাপারে অনেকেই বেশ আশঙ্কায় থাকেন। প্রতিদিন গোসল করালে শিশুর ঠান্ডা লাগতে পারে, আবার না করালেও বিপদ, দ্বিধায় পরে যান l এক্ষেত্রে আসলেই কি করা উচিত মায়েদের?

শীতে শিশুকে নিয়মিত গোসল না করালেই বরং বিপদ আরো বেশি।কারণ নিয়মিত গোসল না করালে ত্বকের নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কম

সময়ের আগেই বাচ্চা জন্মাতে চলেছে কিনা তা কি আগে থেকে বোঝা যায়?

গর্ভধারণের সময়টা একটা মায়ের জীবনের অন্যতম সুন্দর সময়; অথচ এই সময়টা তার মনে প্রচুর চিন্তা ও আশঙ্কা ভরে থাকে, অজাত সন্তানের স্বাস্থ্য নিয়ে। অনেক সময়

ডায়াটারি সাপ্লিমেন্টের বলে কমতে পারে মিসক্যারেজের আশঙ্কা!

গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে জন্মকালীন মৃত্যুহার যা হারে বেড়েছে তা বাস্তবিকই ভয়াবহ। শুধু বাচ্চারা নয়, মৃত্যুর মার থেকে বাদ যায়নি ভাবি মায়েরাও। কিন্তু আর

প্রেগন্যান্সি ডায়েট: গর্ভাবস্থায় কী কী খাওয়া উচিত আর কী কী নয় সে সম্পর্কে জেনে নিন!

এই সময়ে খায় একজন। কিন্তু পুষ্টির সরবরাহ হয় দুজনের শরীরে। তাই তো ভাবী মায়েদের নিজেদের ডেয়েটের দিকে নজর দেওয়াটা একান্ত প্রয়োজন। না হলে বাচ্চার শরীরে

বাচ্চাদের গরুর দুধ খাওয়ানো যেতে পারে কি?

আজকালকার বাবা-মায়েরা তাদের বাচ্চাদের নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত সচেতন হলেও অনেক বিষয় নিয়েই তারা ভাল-মন্দের মধ্যে ফারাক করতে পারেন না। যেমন ধরুন একদল তাদের বাচ্চাদের জন্ম নেওয়ার