All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

অটিস্টিক শিশুরা কি সুস্থ হয়?

মাতৃগর্ভ থেকেই শিশুরা অটিজম নিয়ে আসে। এটি শিশুর বিকাশগত একটি সমস্যা। এই ধরনের শিশু কি কখনো সুস্থ হয়?  অধ্যাপক ডা. ফাহমিদা ফেরদৌস। বর্তমানে তিনি জেড এইচ সিকদার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মানসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : অটিস্টিক শিশুদের কি চিকিৎসা করে সুস্থ করা সম্ভব?

উত্তর : আমরা বলি যে যখন কোনো শিশুর মধ্যে ভাষাগত কোনো অসুবিধা দেখবেন, তাঁকে ইন্টারভেনশন সেন্টারে নিয়ে যাবেন। কারণ, পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে একটি শিশুর মূল ভাষার বিকাশ হয়ে যাবে। মা-বাবা যদি মনে করেন শিশুটির মধ্যে ভাষাগত কোনো অসুবিধা আছে, অথবা আচরণগত বা আবেগগত কোনো অসুবিধা আছে, তখনই একজন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাবেন। চিকিৎসকের কাছে গেলে রোগ নির্ণয় হবে। আসলে অটিজম হলো একটি লাইফ লং ডিজঅর্ডার। এটি একেবারেই নিরাময়যোগ্য নয়। তবে ব্যক্তি যেন পরিবার, রাষ্ট্র, সমাজের জন্য বোঝা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

প্রশ্ন : সে জন্য করণীয় কী?

উত্তর : সে জন্য বাচ্চাকে প্রথমেই চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে। শিশুটির মধ্যে যে যোগ্যতা আছে সেটিকে কাজে লাগিয়ে একটি অর্থবহ জীবন দিতে পারি সে চেষ্টা করতে হবে।

প্রশ্ন : অটিস্টিক শিশুদের জন্য শিক্ষাব্যবস্থা কেমন হবে?

উত্তর : আমরা যখন দেখি শিশুর মধ্যে আচরণগত সমস্যা বেশি এবং শিশুর মধ্যে ভাষা বিকাশের পর্বটা খুব কম আছে, তাকে আমরা বলি স্পেশাল (বিশেষ) স্কুলে দেবেন। এটি আসলে দেখে বলা হয়। কিছু কিছু শিশুর আবার সুন্দর ভাষা বিকাশ হয়, তারা স্বাভাবিক স্কুলে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে। তখন আমরা তাঁকে স্বাভাবিক স্কুলেই যেতে বলি।

প্রশ্ন : স্পেশাল কেয়ারে দিলে সেই ক্ষেত্রে তাদের শিক্ষার ধরনটা কেমন হবে?

উত্তর : যেসব শিশুর ভাষা বিকাশের পর্বটা খুব কম থাকে, তাকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একটি রুটিন করে দেওয়া হবে। সকালে উঠে সে কীভাবে দাঁত ব্রাশ করবে, কীভাবে টয়লেটে যাবে, কীভাবে খাবে সব রুটিন করে দেওয়া হবে। এটি দেওয়া হবে তার ভাষা বিকাশের ওপর ভিত্তি করে। পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এই প্রশিক্ষণগুলো দেওয়ার ক্ষেত্রে।

source: ntv

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More

গরমে বড়দেরই জীবনই অতিষ্ঠ হয়ে উঠে তাই ছোটদের তো কথাই নেই। গরমে শিশুরা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি ঘামে। এ সময় তাদের মৌসুমজনিত নানারকম সমস্যা দেখা..

Read More