All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

শিশুর ১ বছর হওয়ার আগে যেসব খাবার শিশুকে দেয়া খুবই বিপদজনক

শিশুদের সুস্থতায় প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার। শিশুর বৃদ্ধির জন্য ও সঠিক বুদ্ধির বিকাশের জন্য শিশুকে খাবার দেয়ার সময় কিছু দিক অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। তাই নিজে সন্তানকে খাওয়ানোর সময় বা অন্য কেউ কিছু খাওয়ানোর সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে খাবারগুলো শিশুর ওই বয়সের জন্য উপযুক্ত কিনা। এছাড়া শিশুর বয়স অনুসারে তাকে সঠিক পরিমাণে খাবার দেওয়া হচ্ছে কিনা।

অনেক ধরণের খাবার আছে যেসব খাবার শিশুর ১ বছর বা তার কিছু সময় পরেও তাদের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। শিশুর ১ বছর হওয়ার আগে যেসব খাবার শিশুকে দেয়া বিপদজনক তার একটি তালিকা দেওয়া হলোবাদাম
শিশুদের সীমিত দাঁত নিয়ে এই বয়সে আস্ত বাদাম খেতে দেয়া বিপদজনক কারণ তারা ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে পারে না তখনও। এমনকি শিশুরা ৩-৫ বছরের হলেও আস্ত বাদাম না দিয়ে গুঁড়ো করে বা ছোট টুকরো করে খেতে দিতে হবে।

ডিম
এই বয়সে কিছুটা অ্যালার্জি উৎপাদক খাবার হচ্ছে ডিম। তবে সবার সমস্যা হবেই তা নয়। তাই পরিবারে যদি কারো ডিমে অ্যালার্জি থাকে সেক্ষেত্রে কিছুদিন অপেক্ষা করে দেয়াই উত্তম। যদি অ্যালার্জির কোন সমস্যা না থাকে তাহলে ডিম খেতে কোন সমস্যা হওয়ার কথা না। তবে দিতে হবে ধীরে ধীরে।

ফল বা সবজির বড় টুকরো
সবজির বড় টুকরো যেমন গাজর, শশা ইত্যাদির এবং ফলের বড় টুকরো যেমন আপেল, নাশপাতি ইত্যাদি দেয়া উচিত নয় এই বয়সে। ভালভাবে রান্না করে ছোট টুকরো করে বা পিষে দিতে হবে।

কিশমিশ
এই বয়সে তাদের কিশমিশ দেয়াও ভালো নয়। কিছুটা বড় হওয়ার পর দিতে হবে।

পপকর্ণ
শিশুর এই বয়সে পপকর্ণ দেয়াও বিপদজনক। কারণ এটি তারা চিবিয়ে খেতে পারবে না ভালোভাবে, গলায় আঁটকে যেতে পারে।

শক্ত চকলেট বা জেলি
এই খাবারগুলোও শিশুদের দেয়া যাবে না, বর্জন করতে হবে এই বয়সে।

অ্যালার্জি উৎপাদক খাবার
কিছু খাবার আছে যেগুলো শিশুর প্রথম দিকে দেয়া উচিত নয় যা অ্যালার্জির সৃষ্টি করতে পারে। যদি পরিবারের অন্য কারো কোন এক বা একাধিক খাবারে অ্যালার্জি থাকে তাহলে সেই খাবারগুলো শিশুর কিছুটা বয়স বৃদ্ধির পর সতর্কতার সাথে দিতে হবে। দেখতে হবে তার কোন সমস্যার সৃষ্টি হয় কিনা। যদিও একজনের একটি খাবারে অ্যালার্জি থাকলে অন্যজনেও সেই খাবারে থাকবেই এমন কোনো কথা নেই। আর চাইলে সেগুলো দেয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিলে ভালো হয়।

চিংড়ি
সব বয়সে সবচেয়ে বেশি অ্যালার্জি উৎপাদক খাবার হচ্ছে চিংড়ি মাছ। তাই শিশু বেশ কিছুটা বড় না হওয়া পর্যন্ত এই খাবারটি না দেয়াই ভালো।

স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরি ফলটিও অ্যালার্জি উৎপাদক। তাই শিশুদের এক বছর বয়স পর্যন্ত না দেয়াই ভালো।

টক ফল
অনেক সময় টক ফল যেমন টক কমলা, লেবু ইত্যাদি সব শিশুদের সহ্য হয়না। এর ফলে অনেক শিশুদের দেহে ফুসকুড়ি হতে পারে। তাই একদম কম বয়সে এগুলো না দেয়াই ভালো।

চকলেট
অনেক শিশুদের চকলেটে অ্যালার্জির সৃষ্টি হতে পারে। তাই কমপক্ষে কয়েক বছর চকলেট না দেয়াই ভালো। আর চকলেট দাঁতের সুরক্ষাকারী ইন্দ্রিয়কে কাজ করতে বিলম্ব ঘটায়।

গরুর দুধ
শিশুর প্রথম জন্মদিনের আগে গরুর দুধ না দেয়াই ভালো। কারণ গরুর দুধে থাকে বেশি প্রোটিন এবং সোডিয়াম যা শিশুর ছোট অন্ত্রে তা পরিপাক করতে ব্যাঘাত ঘটায়। এছাড়া গরুর দুধে মায়ের দুধ ও ফর্মুলা দুধের থেকে কম আয়রন এবং অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি এসিড কম থাকে যা শিশুর বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যক। অনেক শিশুর ক্ষেত্রে যদি কম বয়সে গরুর দুধ দেয়া হয় তাহলে অ্যাসিডিটির ও অ্যালার্জির সৃষ্টি করতে পারে।

মধু
অনেকের মাঝেই প্রচলিত আছে যে শিশুর জন্মের পরই মুখে মধু দেয়া। এটা শিশুর জন্য খুবই ক্ষতিকর। কমপক্ষে এক বছর পর্যন্ত শিশুকে মধু দেয়া যাবে না। কারণ এতে Clostridium botulinum নামক জীবাণু থাকে। যা বড়দের জন্য ক্ষতিকর না হলেও শিশুদের জন্য বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

সামুদ্রিক মাছ
টুনা, স্যামন, কোরাল ইত্যাদি সামুদ্রিক মাছে উচ্চ পরিমাণে পারদ থাকে তাই এগুলো শিশুদের দেয়া ঠিক নয়।

চা এবং কফি
চা, কফি, কোকোয়াতে থাকে ক্যাফেইন যা ক্যালসিয়াম হজমে বাধা দেয়। তাই এই সব পানীয় শিশুদের এবং ছোট বাচ্চাদেরও পান করতে দেয়া উচিত নয়।

কার্বোনেটেড ড্রিংকস
পেপসি, স্প্রাইট, কোক, সোডা পানি এসব কার্বোনেটেড ড্রিংকসে প্রচুর চিনি, সোডিয়াম এবং আর্টফিশিয়াল ফ্লেভার দেয়া থাকে যা শিশুদের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এসব ড্রিংকসের গ্যাসের কারণে কার্বোনেশন ঘটে যা শিশুদের ছোট পাকস্থলীতে সমস্যার সৃষ্টি করে।

লবণ
শিশুর খাবার তৈরিতে খুব কম পরিমাণ লবণ ব্যবহার করা উচিত। কারণ লবণেও রয়েছে প্রচুর সোডিয়াম যা শিশুর পাকস্থলীতে খাবার পরিপাকে সমস্যার সৃষ্টি করে

শিশুদের দেহে বড়দের তুলনায় পানির ভাগ বেশি থাকে। রোজাতে শিশুদের পানিশূন্যতা বেশি হয়। রোজাতে শিশুদের অনেকক্ষণ খাবার না খেয়ে থাকতে হয় বলে মাথাব্যথা, বমি বমি..

Read More

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More