All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

প্রসব বেদনা সহনীয় করার কিছু প্রস্তুতি

যে মা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান জন্ম দিয়েছেন, তিনিই জানেন প্রসব প্রক্রিয়া কতটা জটিল, কতটা ব্যথাদায়ক। কাজেই এই ব্যথা কি কি উপায়ে এড়ানো যায়, তা জানা খুব প্রয়োজন। সেইসাথে প্রসবের সময় আপনার সাথে যিনি থাকছেন, তারও বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে জানা থাকা প্রয়োজন। যাতে করে তিনি প্রয়োজনের সময় আপনার সহায়তা দিতে পারেন।

গর্ভধারণের শুরু থেকে বাচ্চা জন্মদান পর্যন্ত প্রত্যেকটি ধাপেই প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন। বাচ্চা প্রসব একটি জটিল ও কষ্টকর প্রক্রিয়া। শিশু জন্মদানের সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি হলো যোনিপথে প্রসব। প্রসব বেদনার তিনটি পর্যায় থাকে: পানি ভাঙা ও গর্ভাশয় খুলে যাওয়া, নিম্নগমন ও শিশুর জন্ম এবং গর্ভফুল বের হয়ে আসা। বাচ্চা জন্মদানের প্রক্রিয়াকে সহজ করতে পারে প্রসবের পূর্বেই বেশ কিছু শারীরিক প্রস্তুতি। প্রসবের পূর্বেই মায়ের শরীরকে কিভাবে প্রস্তুত করা যায় সে বিষয়েই আজকের আলোচনা।

প্রসবের সময় যতটা সম্ভব শিথিল বা শান্ত থাকলে, তা আপনার দুশ্চিন্তা দূর করে ব্যাথা কমাতে সাহায্য করবে; আপনার জরায়ুকে আরো ভালো কাজ করতে সাহায্য করবে এবং আপনাকে শক্তি সংরক্ষন করতে সাহায্য করবে (মানসিক চাপ অনুভব করলে এতে শক্তি খরচ হয়!)। প্রসবের সময় কিভাবে শিথিল বা শান্ত থাকা যায় তা শিখতে দুটি সাধারণ পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।

পেশী শিথিলকরণ পদ্ধতি

নিজের শরীরকে বোঝার চেষ্টা করুন এবং গর্ভাবস্থায় কিভাবে শরীরকে শিথিল বা রিলাক্স করা যায় তা শিখে নিন। এর ফলে যখন আপনার প্রসব বেদনা উঠবে তখন আপনি এ পদ্ধতি ব্যাবহার করতে পারবেন। খেয়াল করলে দেখবেন যখন কোন কারণে আমাদের স্ট্রেস যায় বা আমরা উত্তেজিত হয়ে যায় আমাদের শরীরের কোন না কোন অংশের পেশী শক্ত হয়ে যায়। কেউ দাঁতে দাঁত চাপে, কারও বা ঘাড় ও কাঁধ শক্ত হয়ে যায়। এগুলো সবই স্ট্রেস এর লক্ষন এবং এর ফলে পেশীগুলো ক্লান্ত ও ব্যাথা হয়ে যায়।

প্রসবের সময় সংকোচন বা কন্ট্রাকশনের সময় আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের পেশীগুলো এভাবে শক্ত হয়ে যায়। সে সময় যদি আপনার পেশী শিথিল করার পদ্ধতিগুলো জানা থাকে তবে প্রসব বেদনা কিছুটা হলেও আপনি সহনীয় করতে পারবেন। এটি থেকে সুবিধা পেতে আপনাকে গর্ভবতী হতে হবে না। এটি আপনাকে আপনার জীবনের যেকোন সময় দুশ্চিন্তা মোকাবেলায় সাহায্য করতে পারে (এবং আপনাকে ঘুমাতে সাহায্য করবে)। আপনি যদি পারেন বাড়ীতে দৈনিক এক বা দুইবার কমপক্ষে ১০ মিনিট করে এই পদ্ধতি অনুশীলন করুন। আরো ভাল হয় যদি আপনার সঙ্গী বা অন্যান্য সহযোগী লোকজন ভালো করে এই পদ্ধতি বুঝতে পারে। যাতে প্রসবের সময় তিনি সাথে থাকলে আপনাকে পদ্ধতিগুলো অনুসরন করতে সাহায্য করতে পারে।

একটি আরামদায়ক অবস্থান বের করুন – বসুন বা আপনার এক পাশে শুয়ে পড়ুন। আপনার শরীরের সকল ভাজকে সহযোগীতা করতে বালিশ ব্যবহার করুন। যদি আপনার ভালো লাগে তবে কিছ হালকা গান শুনতে পারেন।

এবার আপনার ডান হাত দৃঢ়ভাবে মুষ্টি বদ্ধ করুন। লম্বা শ্বাস নিন। হাত কাঁধ বরাবর তুলে হাতের পেশীগুলো শক্ত করুন। আপনি এবার একটি লম্বা, দীর্ঘ, শ্বাস ফেলুন এবং হাতের মুঠি নরম করে মাংশপেশী শিথিল করুন। আপনার হাতের মাংশপেশী শিথিল হওয়া অনুভব করুন। খেয়াল করুন কিভাবে শ্বাস ছেড়ে দেওয়া আপনাকে শিথিল হতে সাহায্য করে। প্রত্যেকবার শ্বাস ফেলার সাথে সাথে বেশী করে শিথিল হোন বা রিলাক্স করুন। একইভাবে অপর হাত এবং পায়ের রিলাক্সেশন করুন।

আপনার কাঁধ উপরের দিকে আপনার কান বরাবর তুলুন। এটি কিভাবে আপনার ঘাড় ও গলার পেশী শক্ত করে তা অনুভব করুন। এখন শ্বাস ছাড়ার সাথে সাথে আপনার কাঁধকে শিথিল করুন। একইভাবে আপনার যৌনাঙ্গের এবং পায়ুপথের চারপাশের মাংসপেশী শক্ত করুন যেমনটি আপনি মুত্র প্রবাহ আটকাতে করে থাকেন। এবার শ্বাস ফেলার সাথে সাথে শিথিল করুন (এই মাংসপেশীগুলো আপনার শ্রোণীতলের অংশ)। আপনার নিতম্বের মাংশপেশীগুলোকে একসাথে চাপ দিন। তারপর শ্বাস ছাড়ার সাথে সাথে ছেড়ে দিন। আপনার চোয়াল দৃঢ়ভাবে চেপে ধরুন, আপনার মুখমন্ডলের এবং মাথার খুলির মাংসপেশী শক্ত করুন। এখন শ্বাস ছাড়ুন এবং শিথিল হোন।

একবার আপনি যদি শক্ত মাংসপেশী এবং শিথিল মাংসপেশীর পার্থক্য শিখতে পারেন, আপনি এই ধাপগুলো আপনার মাংসপেশীগুলোকে প্রথমে শক্ত না করে অনুসরণ করতে পারেন। প্রসবের সময় এ পদ্ধতিতে আপনি আপনার শরীরকে রিলাক্স করাতে পারবেন।

শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি

মানুষ যখন দুশ্চিন্তা’ অথবা মানসিক চাপে থাকে তখন প্রায়ই দ্রুত এবং অগভীর শ্বাস নেয়। এর বিপরীতটি করুন, অর্থাৎ লম্বা,ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিন – এটা আপনাকে শান্ত এবং অনেক শিথিল অনুভব করতে সাহায্য করবে। প্রসবের সময় আপনার শ্বাস নেয়ার ব্যাপারে সতর্ক হলে এবং এটি ধীরে ধীরে করলে:

  • দুশ্চিন্তা দূর করতে এবং আপনার শরীর শিথিল করতে সাহায্য করবে
  • সংকোচনের সাথে এর বিরুদ্ধে টানটান না হয়ে আপনাকে ‘শিথিল’ হতে সাহায্য করবে
  • জরায়ুর মুখ সম্পূর্ণভাবে খোলার আগে যে ধাক্কা অনুভূত হয় তার সাথে লড়াই করতে সাহায্য করবে যা আপনার প্রসবের প্রথম ধাপের শেষের দিকে অনুভূত হবে।
  • প্রসবের সময় বাচ্চার জন্য অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি করে
  • দ্রুত এবং অগভীরশ্বাস  যা আপনাকে এক ধরনের ‘খোঁচানো’ অনুভূতি দিবে তা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে।

শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রন অনুশীলন

ধীরে এবং গভীরভাবে শ্বাস নেয়ার চেষ্টা করুন যা আপনার কাছে আরামদায়ক মনে হবে। যখন আপনি শ্বাস ছাড়বেন,আপনার ফুসফুস থেকে বাতাস বের করার সাথে সাথে, আপনার শরীর থেকে দুশ্চিন্তা বের করে দিন। এটি করার সময় আপনি দৃঢ় শব্দ, দীর্ঘশ্বাস অথবা গোঙ্গানো শব্দ (‘আহ’ বা ‘হুম’) করতে পারেন।

প্রসবের জন্য অবস্থানের অনুশীলন

প্রসবের সময় শারীরিক অবস্থানের পরিবর্তন আপনাকে সংকোচন এবং ব্যাথা সামলাতে সাহায্য করবে। কিন্তু যদি আপনি এসব শারীরিক অবস্থানে অভ্যস্ত না থাকেন, যেমন উঁচু হয়ে বসা বা আপনার হাত এবং হাঁটুর উপর ভড় দিয়ে উপুড় হয়ে থাকা তবে প্রসবের সময় এসব অবস্থানে থাকা আপনার জন্য কঠিন হবে। গর্ভাবস্থায় এগুলোর অনুশীলন করা ভালো।

স্ট্রেচিং

প্রসবের সময় খুব বেশী অসুবিধা না করে স্ট্রেচিং ব্যায়ামের অভ্যাস আপনার ক্লান্ত মাংসপেশীকে শিথিল করে এবং আপনাকে নমনীয় করে যা প্রসবের সময় আপনাকে বিভিন্ন ভঙ্গিতে অবস্থান করতে সাহায্য করতে পারে। গর্ভাবস্থার যেকোন সময় আপনি স্ট্রেচিং অনুশীলন করতে পারেন। প্রত্যেকবার স্ট্রেচিং করার সময় যতক্ষণ সম্ভব ধরে রাখুন (কয়েক সেকেন্ড হলেও চলবে)। আস্তে আস্তে সময় বৃদ্ধি করুন এক মিনিট হওয়া পর্যন্ত।

কাফ  বা পায়ের পেশীর প্রসারণ

দেয়ালের দিকে তাকিয়ে, দেয়াল থেকে প্রায় ৩০ সে.মি. দূরে দাঁড়ান। দু বাহু দেয়ালে রেখে শরীরকে উপরিভাগ সামনের দিকে ঝোঁকান। এবার একপায়ের হাঁটু ভাজ করে আরেক পা পেছনের দিকে এক মিটারের মত দূরে নিন। আপনার শরীরের ভড় আপনার বাহু এবং সামনের পায়ের উপর থাকবে। আপনার পেছনের পায়ের পেশীতে প্রসারন বা স্ট্রেচ অনুভব করবেন। এই অবস্থান ধরে রাখুন এবং প্রসারণের মাঝে শ্বাস নিন। অন্য পা দিয়ে পুনরায় এই চর্চা করুন।

কাঁধ ঘুরানো

আপনি এই ব্যায়াম দাঁড়িয়ে বা চেয়ারে আরাম করে বসে করতে পারেন। আপনার প্রত্যেক কাঁধে আপনার আঙ্গুলগুলো রাখুন এবং পিছনের দিকে আপনার কনুই বৃত্তাকারে ঘোরান। এটি আপনার পাজরের খাঁচার চাপও সহজ করবে।

প্রসবের সময়টা নিজেকে শান্ত রাখতে আর ব্যাথা সহনীয় করতে নিচের উপায়গুলো অবলম্বন করতে পারেন –

  • প্রসব সম্পর্কে জানুন। এতে প্রসব নিয়ে আপনার দুশ্চিন্তা দূর হবে এবং প্রসব সহনীয় হবে।
  • লম্বা লম্বা শ্বাস নিয়ে শান্ত থাকার অভ্যাস করুন, যেন প্রসবের সময় এর প্রয়োগ করতে পারেন।
  • একভাবে বসে থাকলে অনেক সময় ব্যাথা বেশি অনুভব করতে পারেন। সামনে পিছে দুলুন বা হাঁটাহাঁটি করুন।
  • প্রসবের সময় সাথে স্বামী, বান্ধবী বা আত্মীয় কাউকে কাছে রাখতে পারেন। কাউকে না পেলে চিন্তা করবেন না, ডাক্তার/ নার্সই আপনাকে সাহায্য করবেন।
  • আপনার সঙ্গীকে বলুন আপনার কোমর এবং পিঠ মালিস করে দিতে (যদিও সম্ভবনা আছে যে এ সময় কেউ আপনাকে ধরলে আপনার আপনার অস্বস্তি লাগবে)
  • গোসল করে নিতে পারেন – ভালো লাগবে।

Source: fairy land

শিশুদের দেহে বড়দের তুলনায় পানির ভাগ বেশি থাকে। রোজাতে শিশুদের পানিশূন্যতা বেশি হয়। রোজাতে শিশুদের অনেকক্ষণ খাবার না খেয়ে থাকতে হয় বলে মাথাব্যথা, বমি বমি..

Read More

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More