All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

যারা রোজা রেখে সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ান তারা মেনে চলুন এই ৭টি নিয়ম

যেসব মা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন, তাঁদের রোজা রাখায় তেমন কোন অসুবিধা নেই যদি তিনি নিজের যত্ন সঠিকভাবে নেন। কিন্তু সঠিক নিয়ম মেনে না চললে তাঁর নিজের তো কষ্ট হবেই, একই সাথে প্রভাব পড়বে সন্তানের স্বাস্থ্যের ওপরেও। অনেক মা-ই এমন সময়ে রোজা রাখতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন, ফলে ছোট্ট শিশুটিও কষ্ট পায়। চলুন, জেনে নিই এমন কিছু টিপস যেগুলো মেনে চললে রোজা রেখেও আপনি ও আপনার সন্তান দুজনেই পাবেন উপযুক্ত পুষ্টি ও থাকবে সুস্থ।

১ নং

স্তন্যদানকারী মায়ের সবচাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে পানি। একে তো গরমের দিন, প্রচুর পানি এমনিতেই প্রয়োজন দেহের জন্য। অন্যদিকে বুকের দুধ উৎপাদনেও পানির চাহিদা অপরিসীম। ইফতারের পর থেকেই অল্প অল্প করে পানি পান করতে থাকুন। পানি ভালো না লাগলে ফলের রস পান করুন। মনে রাখবেন, অন্য সময়ের চাইতে বেশিই পানি পান করতে হবে আপনাকে ইফতার থেকে সেহেরি পর্যন্ত সময়ে।

২ নং

রোজা রেখে চা কিংবা কফি পান করবেন না। এগুলো শরীরকে আরও বেশী পানি শূন করে ফেলে। একান্তই যদি পান করতে হয় তাহলে হালকা লিকারের রঙ চা পান করুন।

৩ নং

স্তন্যদানকারী মায়ের ইফতারটাও হবে সকলের চাইতে আলাদা। তিনি ভাজা পোড়া বা মসলাযুক্ত কোন খাবার খাবেন না মোটেও। বরং স্বাভাবিক সময়ে দুপুরে যে খাবারটি খেতেন, সেই খাবারটিই খাবেন লাঞ্চে। অর্থাৎ, পরিমিত ভাত, মাছ/মাংস, ডাল ও সবজি। সাথে ফলের রস ও শরবত। এই একটি কাজ একটু কষ্ট করে করলে নিজের ও সন্তানের স্বাস্থ্যে কোন খারাপ প্রভাব পড়বে না।

৪ নং

অনেকেই ইফতারের পর রাতের খাবার খান না, অনেকেই আবার আলসেমী করে সেহেরি বাদ দেন। স্তন্যদানকারী মায়ের এই কাজটি করা চলবে না ভুলেও। তাঁকে অবশ্যই ২৪ ঘণ্টায় ৩ বেলা সুষম আহার করতে হবে। তাই ইফতার বা সেহেরি বাদ দেবেন না। পরিমাণে অল্প হলে সুষম আহার গ্রহণ করবেন যেন শরীর পর্যাপ্ত ক্যালোরি পায়।

৫ নং

দৈনিক এক গ্লাস দুধ অবশ্যই পান করতে হবে।

৬ নং

এছাড়াও স্তন্যদানকারী মা অবশ্যই খাবেন এমন কিছু খাবার যা তাঁর বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। যেমন লাউ, কালিজিরা, পান, তাজা ফল ইত্যাদি। তবে টক কোন ফল না খাওয়াই ভালো।

৭ নং

একই সাথে অবশ্যই পর্যাপ্ত ঘুমাবেন। ইবাদত ও সন্তান পালন, এই দুই মিলিয়ে দেখা যায় মায়েদের ঘুমের খুব সমস্যা হয়। কিন্তু এই সময়ে স্তন্যদানকারী মায়ের দরকার পর্যাপ্ত ঘুম। তাই অবশ্যই ঘুমটা ঘুমাবেন সঠিক ভাবে।

Source: .priyo life

শিশুদের দেহে বড়দের তুলনায় পানির ভাগ বেশি থাকে। রোজাতে শিশুদের পানিশূন্যতা বেশি হয়। রোজাতে শিশুদের অনেকক্ষণ খাবার না খেয়ে থাকতে হয় বলে মাথাব্যথা, বমি বমি..

Read More

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More