All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

শিশু-কিশোরদের কুসিং সিনড্রোম

অনেক ছেলে-মেয়ের ওজন বৃদ্ধি পাওয়া বা হঠাৎ করেই মুটিয়ে যাওয়া বাবা-মা’র জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এদের কারও কারও এ সমস্যাটির পিছনে যে হরমোনটির অতিরিক্ত উপস্থিতি বিরাজমান তা হল গ্লুকোকর্টিকয়েড।

  • কুসিং সিনড্রোম দু’ধরনের হতে পারে : একটি এড্রেনাল গ্রন্থির (গ্লুকোকর্টিকয়েড প্রধানত এখানেই উৎপাদিত হয়) টিউমার জনিত কারণে হয়। আবার পিটুইটারি গ্রন্থির অতিরিক্ত এসিটিএইচ (ACTH) উৎপাদনের কারণেও কুসিং সিনড্রোম হতে পারে। কোনো কোনো সময় অস্বাভাবিক স্থান থেকে গ্লুকোকর্টিকয়েড তৈরি হয়ে কুসিং সিনড্রোম হতে পারে।
  • কুসিং সিনড্রোম ছেলেদেরকেই বেশি আক্রান্ত করে। লক্ষণীয় যে, অনেক ছেলে-মেয়ে বিভিন্ন কারণে গ্লুকোকর্টিকয়েড সেবন করায় কুসিং সিনড্রোমে আক্রান্ত হয়। এদের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কবিরাজি, হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আরও এরকম ওষুধ সেবনের নামে অপ্রয়োজনে বা অহেতুক দীর্ঘকাল যাবৎ এরকম একটি অতিকার্যকর ওষুধ সেবন করানো হয়। পরিতাপের বিষয় এই যে, অনেক সনদবিহীন চিকিৎসকও হরহামেসাই ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিচ্ছেন।
  • কুসিং সিনড্রোমে আক্রান্ত শিশুরা দৈহিক স্থূলতায় ভুগতে থাকে। যদিও এদের দৈহিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। দৈহিক স্থূলতা শরীরের সব অংশেই সমানভাবে বিরাজমান হতে পারে। এদের মুখের ত্বকে একটি লালাভ আভা থাকে। মুখে বা অন্যান্য জায়গায় ত্বকে ব্রণ দেখা দিতে পারে। ত্বকের কোনো জায়গাতে সামান্য আঘাতে রক্তক্ষরণ হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। পেটে, উরুর ভিতরের দিকে অথবা বাহুর উপরের দিকে হালকা বেগুনি রঙের লম্বাটে দাগ হতে পারে। মুখ বা শরীরের অন্যান্য জায়গায় অবারিত লোম হতে পারে। এরা মানসিকভাবে খুবই অস্থির হয়ে যায়। কারও কারও মাথা ব্যথা হয়, মাংসপেশির দুর্বলতা দেখা দেয় এবং অবসন্নতা বোধ করে। উচ্চ রক্তচাপ থাকারও আশংকা আছে। বিলম্বিত বয়োঃসন্ধির হার এদের মাঝে বেশি। এদের হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।
  • ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে উচ্চতা বৃদ্ধি না হওয়াটা একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। লক্ষণগুলো ধীরে ধীরে দেখা দিতে থাকে। তবে অস্বাভাবিক স্থান থেকে এসিটিএইচ (ACTH) তৈরি হলে লক্ষণগুলো খুব দ্রুত দেখা দেয়।
  • শুরুতেই রোগী গ্লুকোকর্টিকয়েড (ইনজেকশন, ক্রিম, লোশন, স্প্রে বা ট্যাবলেট যেভাবেই হোক) সেবন করেছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কুসিং সিনড্রোম শনাক্ত করা বেশ জটিল। ২৪ ঘণ্টার প্রস্রাবে কর্টিসোল দেখা হয়। দিনের বিভিন্ন সময়ে রক্তে কর্টিসোলের মাত্রা দেখা হয়। মধ্যরাতে লালায় কর্টিসোলের মাত্রা দেখেও অনেক সময় রোগ শনাক্তকরণে চেষ্টা করা হয়। ডেক্সামেথাসন সাপ্রেশন টেস্ট করা হয় অনেক সময়। এগুলোর সঙ্গে রক্তে এসিটিএইচ (ACTH)-এর মাত্রার সমন্বয় লক্ষ্য করা হয়। এড্রেনাল গ্রন্থির আল্ট্রাসনোগ্রাম, অনেক ক্ষেত্রে সিটি স্ক্যান টিউমারের উপস্থিতি শনাক্ত করতে সমর্থ হয়।

রোগ শনাক্ত করার পরে চিকিৎসা প্রদানের আয়োজন করা হবে। সেটিও খুব সহজ নয়। যদি এড্রেনাল গ্রন্থির টিউমার পাওয়া যায় এবং তা অপারেশন করে দূর করা যায়, তাহলে সবচেয়ে ভালো ফলাফল আশা করা যেতে পারে। যেখানে অপারেশন সম্ভব নয়, সেখানে বিভিন্ন রকম ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়, যদিও অনেক ক্ষেত্রে এর ফলাফল খুব বেশি আশাব্যাঞ্জক নয়। পিটুইটারি টিউমার হলে এর অপারেশন করে বা রেডিওথেরাপি দিয়েও অনেক সময় ভালো ফল পাওয়া যায়।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

Source: jugantor

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More

গরমে বড়দেরই জীবনই অতিষ্ঠ হয়ে উঠে তাই ছোটদের তো কথাই নেই। গরমে শিশুরা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি ঘামে। এ সময় তাদের মৌসুমজনিত নানারকম সমস্যা দেখা..

Read More