Home মায়ের যত্ন কতবার সিজার করা নিরাপদ? একের অধিক সিজারিয়ান ডেলিভারির ঝুঁকি

কতবার সিজার করা নিরাপদ? একের অধিক সিজারিয়ান ডেলিভারির ঝুঁকি

5 second read
0
2,646

যেসব মায়ের ক্ষেত্রে অনাগত শিশু স্বাভাবিকভাবে জন্ম নিতে পারে না, সেসব মায়ের ক্ষেত্রে শিশুকে সুস্থ অবস্থায় প্রসব করতে বিকল্প পথ বা সিজারিয়ানের আশ্রয় নিতে হয়৷  তাদের জন্য এই ‘সিজারিয়ান চিকিৎসা পদ্ধতি’ নিঃসন্দেহে আশীর্বাদ স্বরূপ৷ সিজারিয়ান করানো খুব সাধারণ ব্যাপার হলেও এটা একটা বড় অপারেশন তাই এর নিজস্ব কিছু ঝুঁকি থাকে। গর্ভাবস্থায় কোনো জটিল সমস্যা যদি সৃষ্টি না হয় তাহলে ভ্যাজাইনাল বার্থ বা নরমাল ডেলিভারি নিরাপদ। নরমাল ডেলিভারি শুধু বর্তমান গর্ভাবস্থার জন্যই ভালো নয় বরং পরবর্তীতে গর্ভধারণের জন্যও ভালো।

সিজারিয়ান কেন করা হয়ে থাকে?

স্বাভাবিক পদ্ধতি বলতে বোঝায় জরায়ু থেকে যোনিপথ দিয়ে বের হয়ে শিশুর জন্ম লাভ করা। স্বাভাবিক পদ্ধতিতে ডেলিভারি হতে কয়েকটি বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হয়- মায়ের শক্তি ও শারীরিক সুস্থতা, জরায়ুর গঠন, যৌনপথের গঠন, জরায়ুর ভেতরে শিশুর অবস্থান ও শিশুর গঠন। এদের কোনো একটি বা একাধিক বিষয়ে অস্বাভাবিকতা থাকলে তা স্বাভাবিক ডেলিভারিতে মা ও শিশু উভয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সে জন্য মা ও শিশুর সুস্থতার স্বার্থে ক্ষেত্রবিশেষে সিজারিয়ান পদ্ধতিতে ডেলিভারির প্রয়োজন হয়। যেসব কারণের জন্য সিজারিয়ান অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে সেগুলো হলো-

  • প্রসবপথ যদি গর্ভস্থ শিশুর মাথার আয়তনের তুলনায় ছোট হয়।
  • মায়ের একলাম্পসিয়া এবং প্রি-একলাম্পসিয়া দেখা দিলে।
  • গর্ভস্থ অবস্থায় কোনো কারণে শিশুর স্বাস্থ্যের অবনতি হলে অথবা ফিটাল ডিসট্রেস বা শিশুর অবস্থা খারাপ হতে থাকলে।
  • প্লাসেন্টা প্রিভিয়া বা গর্ভফুলের অবস্থান জরায়ুর মুখে থাকলে। এতে প্রসব পথ আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ থাকে ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে মা ও শিশুর জীবন বিপন্ন হতে পারে।
  • গর্ভাবস্থায় জরায়ুর মধ্যে রক্তপাত হলে একে বলা হয় অ্যাক্সিডেন্টাল হেমোরেজ।
  • যদি প্রসব পদ্ধতি চলাকালে নাড়িরজ্জু যোনিপথে বেরিয়ে আসে এবং সন্তান জীবিত থাকে তাহলে জরুরি অপারেশন করা হয়।
  • গর্ভস্থ শিশুটির যদি অস্বাভাবিক অবস্থান থাকে।
  • জরায়ুর মুখে বা যোনিপথে টিউমার থাকলে বা প্রসব পথ সরু থাকলে।
  • নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরও যদি প্রসব বেদনা শুরু না হয়।
  • প্রসব ব্যথা ৮-১২ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পরেও যদি প্রসবের উন্নতি না হয়।
  • প্রথম এক বা দুটি শিশুর জন্ম যদি এই পদ্ধতিতে হয়ে থাকে তাহলে পরবর্তী প্রসব সিজারিয়ান পদ্ধতিতে করার সম্ভাবনা বেশী থাকে।
  • আগের শিশুটি গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের সময় মারা গেলে।
  • সন্তানহীনতার ইতিহাস থাকলে।
  • মায়ের কিছু রোগের ক্ষেত্রে যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, দীর্ঘস্থায়ী নেক্রাইটিস।
  • গর্ভবতী মহিলার বেশি বয়সে প্রথম শিশুর প্রসবের ক্ষেত্রে।

সিজারিয়ানের কি কি ক্ষতি হতে পারে?

সিজারিয়ান অপারেশনের নানা নীতিবাচক দিকও রয়েছে, যেসব নিয়ে তেমন একটা আলোচনা হয় না৷ তবে সিজারিয়ান অপারেশনের নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে সুইডেন, নরওয়ে এবং জার্মানির সাম্প্রতিক  কয়েকটি গবেষণার মাধ্যমে বেরিয়ে এসেছে প্রায় একই রকম তথ্য৷ যদিও সিজারিয়ানের মাধ্যমে শিশুর জন্ম হওয়ার ইতিবাচক দিকগুলোর কথা প্রায়ই শুনে থাকি৷ নেতিবাচক বিষয় নিয়ে তেমন শোনা যায় না৷

সিজারিয়ান বেবির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেয়া শিশুর মতো ‘অ্যাক্টিভ’ থাকে না৷ তাছাড়া অপারেশনের সময় নাকি নবজাতকের জিনে কমপক্ষে ৩৫০টি ইমিউন জিনের পরিবর্তন হয়৷ এর ফলে শিশুর দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে৷ অর্থাৎ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে বা শিশু দুর্বল হয়৷

অন্যদিকে, স্বাভাবিক প্রসব ব্যথা বা যন্ত্রণার সময় মায়ের স্ট্রেস হরমোন তাঁর গর্ভে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সক্রিয় করে তোলে৷ শুধু তাই নয়, স্বাভাবিক জন্মের পরিবর্তে যেসব শিশু সিজারিয়ানের মাধ্যমে পৃথিবীর আলো দেখে, তাদের ডায়বেটিস, ক্যানসার, অ্যাজমা ও বিভিন্ন অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকিও বেশি৷

উন্নত দেশগুলোতে একজন নবজাতক ভূমিষ্ঠ হওয়ার সাথে সাথেই তাকে মায়ের বুকে শুইয়ে দেওয়া হয়, যাতে মা ও শিশুর মধ্যে একটা ‘বন্ডিং’ বা ‘বন্ধন’ তৈরি হয়৷ আর সিজারিয়ানের সময় মায়ের ‘জ্ঞান’ না থাকায়, তা সম্ভব হয় না৷ যা পরবর্তীতে শিশু ও মায়ের নিবিড় বন্ধন তৈরিতে প্রভাব ফেলে, এমনই মত বিশেষজ্ঞদের৷ এইভাবে মায়ের বুকে শুইয়ে দেয়া বা “ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ারের” আরও অনেক সুফল আছে যা থেকে তারা বঞ্চিত হয়।

এছাড়া পেট কেটে বেবি বের করার সময় বার্থ ক্যানেল সরু থাকায় শিশুর ফুসফুসে চাপ পড়ে৷ যে কারণে শরীরে নানা সংক্রমণও হতে পারে, এমনকি ক্ষত শুকাতে দেরিও হয়৷ অনেক সিজারিয়ান বেবির জন্মের পরপরই ফুসফুসে স্বাসকষ্ট ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা হয়ে থাকে৷

স্কটিশ বিজ্ঞানীদের করা সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে, সিজারিয়ান পদ্ধতিতে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্কুলের পারফরম্যান্স স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের চেয়ে খারাপ হয়৷ এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে, অপারেশন করে বাচ্চা বের করা হয় মায়ের প্রসব ব্যথা হওয়ার আগে, অর্থাৎ বাচ্চার মস্তিষ্ক পরিপূর্ণ হওয়ার আগেই৷

এবার আসা যাক এ ধরনের প্রসবে মায়ের কি কি ক্ষতি হতে পারে সে বিষয়ে

  • অনেকদিন হাসপাতালে থাকতে হয়।
  • শিশুর জন্মের পরও ব্লিডিং হলে অনেক ক্ষেত্রে গর্ভ অপসারণ করে ফেলতে হয় একে হিস্টেরেক্টমি বলে।
  • হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে।
  • ইউটেরাইন ইনফেকশন এর ঝুঁকি বাড়ে।
  • অপারেশনের পরে ব্যাথা হয় যা প্রায় কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
  • পরবর্তীতে সন্তান ধারণের সময় এক্টোপিক বা টিউবাল প্রেগনেন্সি, প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, প্লাসেন্টা অ্যাক্রিটা এবং প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন এর সমস্যাগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • এই অপারেশনের সময় উদরের ভেতরের কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
  • অনেক সময় সংক্রমণ বা প্রদাহের জন্য প্রসূতির সুস্থ হতে বিলম্ব হতে পারে।
  • অচেতন অবস্থা সৃষ্টি করতে যেসব ড্রাগ ব্যবহার করা হয় সেগুলো অনেক সময় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
  • অপারেশনের পর প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।
  • স্বাভাবিক ডেলিভারিতে অক্ষম হওয়ায় মানসিক অবসাদ হতে পারে।
  • আর্থিক দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

একাধিক সিজারিয়ান ডেলিভারি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

যারা একের অধিক বাচ্চা নিতে চান তাদের সিজার করার আগে ভালোভাবে চিন্তা করা উচিত। যদিও এটা নির্দিষ্ট ভাবে বলা সম্ভব না যে কতবার নিরাপদে সিজারিয়ান করা যায়, তবে এটা প্রমাণিত যে প্রতিবার সিজারিয়ানে ঝুঁকির মাত্রা এর আগেরবারের চাইতে বেড়ে যায়। নিচে একের অধিক সিজারিয়ানের কিছু সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রসবে জটিলতা

প্রতিটি সিজারিয়ান ডেলিভারিতে প্রসবে জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে এই ঝুঁকির বৃদ্ধির হার ৫.১ ভাগ পর্যন্ত বাড়তে পারে। প্রসবে জটিলতা বলতে অনেক কিছুকেই বোঝানো হয়। এর একটি হোল প্রসব করাতে কত সময় লাগতে পারে। প্রতিবার সিজারিয়ান করার সময় এর আগেরবারের চাইতে বেশী সময় লাগতে পারে কারণ সিজারিয়ান করা হলে মায়ের উদরে ক্ষত সৃষ্টি হয়। এভাবে বেশ কয়াকবার সিজার করা হলে ক্ষতের কারণে অপারেশনের সময় ঘণ্টা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এভাবে প্রতিটি সিজারিয়ানের সাথে সাথে ঝুঁকি বাড়তে থাকে।

অতিরিক্ত সার্জারির প্রয়োজনিয়তা 

সিজার করা হলে এর সাথে সাথে অতিরিক্ত অপারেশনের প্রয়োজন পড়তে পারে। এবং এর ঝুঁকি মাত্রা প্রতিটি সিজারিয়ানের সাথে সাথে বাড়তে থাকে। অনেক কারণে অতিরিক্ত সার্জারি করার প্রয়োজন পড়তে পারে। প্রতিবার সিজারিয়ানের সাথে সাথে মায়ের জরায়ুতে ক্ষতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কোন কোন সময় এসব ক্ষত শরীরের অন্য অঙ্গের সাথে লেগে যেতে পারে। যার ফলে সিজারের সময় সেই অঙ্গের কাটা পড়ার সম্ভাবনা থাকে।  এই কারণে আবার সার্জারি করার প্রয়োজন পড়তে পারে। অন্য সার্জারি গুলো হতে পারে- অন্ত্রের সার্জারি, হিস্টারেক্টমি, কোন সংক্রমণ থাকলে তা পরিষ্কার করা বা অতিরক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করা ইত্যাদি।

সেড়ে ওঠার সময়

সাধারণভাবেই সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে সেড়ে উঠতে স্বাভাবিক প্রসবের চাইতে বেশী সময় লাগে। সিজারের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে এই সেড়ে ওঠার সময় ও বাড়তে থাকে। একাধিকবার  সিজার করা হলে তা শরীরের জন্য কঠিন হয় এবং সেড়ে উঠতে আরও বেশী সময় নেয়।

ব্লাডার ইনজুরি

সিজারিয়ানের আরেকটি কমন ঝুঁকি হোল ব্লাডার ইনজুরি। ব্লাডার ইনজুরি প্রথম সিজারের ক্ষেত্রেও হতে পারে তবে এর সম্ভাবনা খুব কম। তবে প্রতিবার সিজার করার সাথে সাথে এর ঝুঁকি বাড়তে থাকে। এর কারণ হোল প্রতিবার সিজার করার পর যে ক্ষত তৈরি হয় তা মায়ের ব্লাডারকে জরায়ুর সাথে আটকে দিতে পারে। এর ফলে সিজার করার সময় তা খতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

পালমোনারি  এম্বোলিজম

সিজারিয়ানের একটি সাধারণ ঝুঁকি হোল রক্ত জমাট বাঁধা। এটাই সম্ভবত সবচাইতে ভয়ের কারণ এটি উন্নত দেশগুলোতে মাতৃ মৃত্যুর সবচাইতে বড় কারণ। সাধারণত পায়ে এবং পেলভিক এরিয়াতে রক্ত জমাট বাঁধে। সবচাইতে ভয়ের কথা হোল এই জমাট বাঁধা রক্ত ভেঙ্গে যেতে পারে এবং লাংসে পৌঁছে যেতে পারে যা পালমোনারি  এম্বোলিজম নামে পরিচিত। রক্ত জমাট বাঁধার কারণে পা ফুলে যেতে পারে এবং ব্যথা হতে পারে। এর ফলে এটি দ্রুত নির্ণয় করা সম্ভব হয়। যদি এটি তাড়াতাড়ি নির্ণয় করা যায় তবে এর চিকিৎসা সম্ভব। রক্ত জমাট বাঁধার প্রধান কারণ হোল দীর্ঘ অপারেশন এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য বেড রেস্টে থাকা। যেহেতু একের অধিক সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে সার্জারির সময় এবং রিকোভারির সময়, দুটোই দীর্ঘায়ীত হয় তাই এতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ও বৃদ্ধি পায়।

প্লাসেন্টা জনিত সমস্যা 

সিজারিয়ানের কারণে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, প্লাসেন্টা অ্যাক্রিটা এবং প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন এর সমস্যাগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এবং সিজারের সংখ্যা যত বাড়তে থাকে এসব সমস্যা দেখা দেয়ার সম্ভাবনা সে সাথে বাড়তে থাকে।

অতিরিক্ত রক্তপাত

যেকোনো সিজারিয়ানেই নরমাল ডেলিভারির চাইতে রক্তপাত বেশী হয়। কিন্তু সিজারিয়ানের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে এর ঝুঁকি বাড়তে থাকে। দ্বিতীয় সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে ৩.৩ ভাগ মায়ের এবং তৃতীয় সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে তা বেড়ে ৭.৯ ভাগ মায়ের হতে পারে।

হিস্টারেক্টমি

হিস্টারেক্টমি বা পুরো ও আংশিক জরায়ু কেটে ফেলার ঝুঁকি সিজারিয়ানের সংখ্যার সাথে সাথে বাড়তে থাকে। প্রথম ৩ বার  সিজিরিয়ানের ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনা শতকরা ১ ভাগের নিচে, চতুর্থ সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে ২.৪ ভাগ, পঞ্চম সিজারের ক্ষেত্রে ৩.৫ ভাগ এবং ষষ্ঠ সিজারের ক্ষেত্রে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ ভাগে।

বাচ্চার সমস্যা

গবেষণায় দেখা গেছে যেসব মায়েদের একাধিকবার সিজারিয়ান হয় তাদের সন্তানদের জন্মের পড় নিওন্যাটাল কেয়ারে রাখতে হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় দ্বিগুণ। এবং এসব বাচ্চাদের শ্বাসকষ্টের ঝুঁকিও বেশী।

এছাড়াও একাধিকবার সিজারের কারণে মায়ের ইউটেরাইন ইনফেকশন এর ঝুঁকি বাড়ে।

মা ও শিশুর মঙ্গলের জন্য যদি সিজারিয়ান করতেই হয়, তাহলে অবশ্যই সেটা ভিন্ন কথা৷ তবে কোনো মা যদি তাঁর প্রসব ব্যথা বা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে কিংবা আধুনিকতা বা তাঁদের বিত্তের পরিচয় দিতে নিজের ও শিশুর স্বাস্থ্যের এতবড় ঝুঁকি নেন, তাহলে নিজের এবং সন্তানের উপর এর ঝুঁকি সম্পর্কে ভালোভাবে জানা উচিৎ।  ‘মা’ হতে চাইবো, কিন্তু মা হওয়ার ব্যথা সইতে চাইবো না, তা কী করে হয়?

Source: fairy land

Load More Related Articles
Load More In মায়ের যত্ন
Comments are closed.

Check Also

আপনি কি বাচ্চার জন্যে কাপড়ের ন্যাপি ব্যবহার করেন? সেটির ভালো ও খারাপ উভয় দিক সম্পর্কে জানতে চান?

আপনি কি সেইসব মায়েদের মধ্যে পড়েন যাঁরা কেনা ডাইপার ব্যবহার করতে দ্বিধা বোধ করেন? এখন এ ব্য…