All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

বাচ্চা বড় হওয়া সময় তার পরিবর্তনের ধারাবাহিকতার ধাপগুলির কোন কোন জিনিসগুলি লক্ষ্য রাখবেন?

মাতা পিতা হিসাবে, আমরা সবাই জানি যে আমাদের বাচ্চারা সঠিকভাবে বিকশিত হচ্ছে; যে তারা অন্যান্য বাচ্চাদের তাদের বয়সের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে পারে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, সন্তানদের কোনও অসুবিধা বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি না হহতে হয় যখন তাদের উন্নয়ন হয়। এটি নিশ্চিত করার জন্য, আমাদের অবশ্যই নির্দিষ্ট মাইলস্টোনগুলির শিক্ষা অর্জন করতে হবে যাতে নজর দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠে।

সমস্যাটি হল যে আমাদের মধ্যে অনেকেই জানেন না কোন কোন জিনিস লক্ষ্য করা উচিত এবং কোনটা স্বাভাবিক। বয়স শ্রেণিগুলি নির্ধারণ করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। তবে সাধারণত গৃহীত বয়সী গোষ্ঠীকে ‘বাচ্চাদের’ বলা হয় ১২ থেকে ৩৬ মাস অথবা ১ থেকে ৩ বছর বয়সী। আপনার সন্তানের উন্নয়ন সঠিকভাবে গেজ করার জন্য আপনাকে আরও ভালভাবে সজ্জিত করার জন্য, এখানে লক্ষ্য করার লক্ষ্যে এখানে মাইলফলকগুলি রয়েছে:

১২ মাসে
সাধারণ বৈশিষ্ট্য যা ১ বছরের চিহ্নে দেখা যায় বা বয়স ১২ মাসের মধ্যে রয়েছে:

  1. – সাধারণ অঙ্গভঙ্গি ব্যবহার করে মানুষকে স্বাগত জানানোর জন্য হাত উচু করে এবং সহজে অনুরোধগুলি সাড়া দেওয়া।
  2. – পিতামাতার অনুকরণ এবং স্বর পরিবর্তন সঙ্গে সহজ শব্দ ব্যবহার করার চেষ্টা।
  3. – সমস্যা সমাধান দক্ষতা বিদ্যমান – বাচ্চারা কিভাবে বিভিন্ন বস্তু ব্যবহার করা অনুমিত হয় এবং সাধারণত নতুন জিনিস বা একই জিনিস অন্বেষণ – বিভিন্ন উপায়ে জানা যায়।

যদি আপনার মনে হয় কিছু কিছু মাইলফলক আছে যা আপনার সন্তানের কাছে পৌঁছায়নি, সেক্ষেত্রে কিছুটা অপেক্ষা করুন অথবা সেই ভাবে আচরণ করার জন্য তাদেরকে প্ররোচনা দেওয়ার চেষ্টা করুন। যদি আপনি এখনও মনে করেন যে কোন সমস্যা হতে পারে, একটি বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন। সেরা জিনিস আপনার বাচ্চা সময় এবং স্থান দিতে না এই আচরণে এবং কর্ম খুব দ্বিধাবোধ ছাড়া শিখতে যদি না এটি তাদের সঠিক দিক নির্দেশনা!

Source:tinystep

শিশুদের দেহে বড়দের তুলনায় পানির ভাগ বেশি থাকে। রোজাতে শিশুদের পানিশূন্যতা বেশি হয়। রোজাতে শিশুদের অনেকক্ষণ খাবার না খেয়ে থাকতে হয় বলে মাথাব্যথা, বমি বমি..

Read More

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More