All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো । কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

আপনি যখন আপনার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে যাচ্ছেন  তখন নিশ্চিত করুন যে আপনি এবং আপনার শিশু এমন একটি অবস্থানে আছনে যা বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ করে দেয়। মা এবং শিশুরা বিভিন্ন অবস্থানে বুকের দুধ খাওয়াতে /খেতে পারে । প্রথমে , আপনি মনে করতে পারনে যে আপনি একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে বেশি আরামবোধ করেন , যেমন – প্রিয় চেয়ারে পেছনে হেলান দিয়ে বসা আপনার বিছানায় শুয়ে থাকা ইত্যাদি। আপনি এবং আপনার শিশু  যত বুকের দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে অভিজ্ঞ হয়ে উঠেন , ততই আপনি যে কোনখানে যেমন – হাঁটার সময়, তাকে পরবিহন করার সময়, বা টেবিলে বসা অবস্থায় আপনার শিশুকে খাওয়াতে সক্ষম হবেন।

আপনি যে অবস্থানই ব্যাবহার করতে চান, আপনার শিশুকে এমন একটি অবস্থানে থাকতে হবে যা তাকে গভীরভাবে মায়ের স্তন মুখে ঢুকাতে এবং সহজে দুধ গিলতে সাহায্য করবে। মনে রাখার জন্য কয়েকটি বিষয়ঃ

  • আপনার পেছনদিক দৃঢ়ভাবে ঠেস দিন।
  • আপনি এমন একটি অবস্থানে থাকা নিশ্চিত করুন যা আপনার ব্যাথার (যোনিপথে কাটার স্থান বা সিজারিয়ান সেকশন থাকলে) কারণ না হয়।
  • আপনার শিশুর কান, কাধ ও নিতম্ব একটি সরল রেখায় থাকতে হবে।
  • আপনার শিশুর মাথা অল্প একটু পেছনের দিকে হেলানো থাকতে হবে। এটি তাকে গভীরভাবে স্তন মুখে ঢুকাতে এবং সহজে গিলতে দিবে।
  • শুরু করার আগে নিজের জন্য হাতের কাছে পানীয় রাখুন।

আপনার শিশুকে স্তন মুখে ঢুকাতে সাহায্য করা

আপনার শিশুর খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলে, তাকে আপনার স্তনের কাছে আনুন। স্তন মুখে ঢুকানোর অনেক অবস্থান এবং অনেক পদ্ধতি আছে। নিচে কয়েকটি পরামর্শ দেয়া হলো যা আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

যে কোন অবস্থানের জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে-

পেটের বিরুদ্ধে পেট

আপনার শিশুর পেট যখন আপনার পেটের বিরুদ্ধে থাকে তখন সে সহজেই আপনার স্তনের বোঁটা মুখে ঢুকাতে পারে। যখন আপনি শিশুকে ধরে রাখেন তার নাক যেন আপনার স্তনের বোঁটার পর্যায়ে থাকে, আপনার স্তনের বোঁটা মুখে ঢোকানোর সময় তার মাথা সে পেছনে নিতে পারে। এইভাবে সে আপনার স্তন ও স্তনের বোঁটার অনেকটাই তার মুখের ভিতরে নিতে পারবে।

স্তন মুখে ঢুকানো

যখন সে স্তন মুখে ঢুকাবে, তখন তার চিবুক আপনার স্তনের মধ্যে চেপে ধরবে, তার মাথা পিছনের দিকে যাবে এবং তার নাক আপনার স্তন থেকে দূরে থাকবে। আপনার স্তনের বোঁটা ও স্তনের বোঁটার অংশবিশেষ তার মুখের ভেতর থাকবে।

বালিশের ব্যাবহার

বালিশ আপনাকে আরামদায়ক অবস্থান থাকতে সাহায্য করবে এবং আপনি অপারেশনের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিলে তা আপনার ক্ষতকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে।

আপনার হাতের অবস্থান

আপনার হাত শিশুর মাথার পেছনে থাকলে সে আপনার হাতের বিপরীতে পেছনে চাপ দিতে পারে এবং স্তন মুখে নাও ঢুকাতে পারে। আপনার হাত তার কাঁধের পিছনে থাকলে এবং তার ঘাড়ে ঠেস দেওয়া থাকলে এটি তাকে স্তনে সহজে মুখ ঢুকাতে সাহায্য করে।

মুখ বড় করে খোলার জন্য অপেক্ষা করুন

আপনার শিশুর চিবুক আপনার স্তন স্পর্শ করে থাকা নিশ্চিত করুন। স্তনের বোঁটার জন্য বড় করে মুখ খুলতে আপনার শিশুকে পর্যবেক্ষণ করুন, তারপর তাকে আপনার কাছাকাছি আনতে তার কাঁধে আলতো করে চাপ দিন। এইভাবে স্তনের বোঁটা ও এর চারপাশের এলাকা তার মুখের গভীরে ঢুকে যায়।

আপনার স্তনে চাপ দেওয়া

আপনার স্তন হাত দিয়ে চাপ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। চাপ দেয়ার জন্য আপনি বুড়ো আঙ্গুলসহ অন্য আঙ্গুলগুলো আপনার স্তনের বোঁটার পেছনে রাখুন যাতে এগুলো আপনার শিশুর মুখের পথে না থাকে।

বুকের দুধ খাওয়ানোর কয়েকটি অবস্থান 

শায়িত অবস্থান

যখন আপনি ক্লান্ত (নতুন মায়েদের সবাই ক্লান্ত থাকে), শোওয়া অবস্থায় বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ হতে পারে।

 

  • আপনার মাথার নিচে একটি বালিশ দিয়ে কাত হয়ে শুয়ে পড়ুন। মায়েদের কেউ কেউ তাদের পেছনে বা হাঁটুর মাঝখানেও বালিশ ব্যাবহার করতে পছন্দ করেন।
  • বালিশটিকে আপনার মাথার ওজন বহন করতে দিন
  • শিশুকে তার পাশে কাত করুন এবং আপনার দিকে মুখ করে রাখুন।
  • তাকে কাছে টেনে নিন যাতে তার নাক আপনার স্তনের পর্যায়ে থাকে এবং তার চিবুক আপনার স্তনের বিপরীতে চাপ দেয়। যখন সে তার মাথা পিছনের দিকে নেয় এবং মুখ বড় করে খুলে তখন স্তন মুখে ঢুকাতে সাহায্য করার জন্য তাকে কাছে আনুন।

ফুটবলের মত ধরা

( বাম স্তন থেকে দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে)

 

  • আপনার হাত এবং শিশুকে ঠেস দিতে আপনার মাথার পিছনে এবং পাশে একটি বালিশ রাখুন।
  • শিশুর শরীর আপনার বাম কনুই ও পার্শ্বদেশের মাঝখানে রেখে আপনার পাশে ধরে রাখুন যাতে তার পা ও পায়ের পাতা গুলো আপনার পিছনের দিকে থাকে।
  • আপনার বাম হাত তার কাঁধ ও ঘাড়ের পিছনে থাকবে।
  • আপনার ডান হাত দিতে আপনি স্তনে চাপ দিতে পারেন।

একই ভাবে ডান স্তন থেকে দুধ খাওয়াতে পারেন।

আড়াআড়িভাবে আঁকড়ানো অবস্থান

(যখন বাম স্তন থেকে বুকের দুধ খাওয়ানো হয়)

 

  • আপনার ডান হাত দিয়ে শিশুকে ধরুন।
  • আপনার ডান হাত তার কাঁধ ও ঘাড়ের পিছনে রাখুন।
  • বাম হাত দিয়ে আপনি আপনার স্তনে চাপ দিতে পারেন।

একই ভাবে ডান স্তন থেকে দুধ খাওয়াতে পারেন।

আড়াআড়ি অবস্থান

 

  • শিশুকে তার মাথা আপনার কনুই এর কাছে আপনার বাম বাহুতে ধরে রাখুন। আপনার হাত তার নিম্নদেশ ধরে রাখবে।
  • প্রয়োজন হল, আপনার ডান হাত দিয়ে স্তনে চাপ দিতে পারেন বা শিশুর ওজন বহন করতে সাহায্য করার জন্য আপনার ডান হাত ব্যাবহার করতে পারেন।

একই ভাবে ডান স্তন থেকে দুধ খাওয়াতে পারেন।

আপনার শিশু খিটখিটে হয়ে থাকলে এবং স্তন মুখে না ঢুকালে নিচের বিষয়গুলো চেষ্টা করুন-

  • প্রারম্ভিক লক্ষনগুলো পর্যবেক্ষণ করুন যে আপনার শিশু বুকের দুধ খাওয়ার জন্য প্রস্তুত (যেমন তার হাত মুখে রাখা) এবং সে কান্নাকাটি শুরু করার পূর্বেই বুকের দুধ খাওয়ান।
  • তার পেট আপনার বুকের বিপরীতে খাড়া অবস্থানে ধরে রাখুন, তার পিট আলতো করে চাপড়ান এবং যতক্ষণ না সে শান্ত হয় তার সাথে কথা বলুন। তারপর আবার বুকের দুধ খাওয়াতে চেষ্টা করুন।
  • নিজেকে শান্ত করুন। এটি আপনার শিশুকেও শান্ত করবে।
  • বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য উপযোগী অবস্থানে বসুন।
  • সহজাতভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থান থেকে সে স্তন মুখে ঢুকায় কিনা দেখুন।
  • কিছুটা দুধ চাপ দিয়ে স্তনের বোঁটায় বের করুন। আপনার শিশু সাথে সাথে এটার ঘ্রান ও স্বাদ পাবে।
  • এতেও স্তন মুখে না দিলে চামচে করে চেপে বের করা দুধের কিছুটা তাকে দিন এবং তারপর আবার স্তনে চেষ্টা করুন।

আপনার শিশু ভালোভাবে স্তন মুখে ঢুকিয়েছে কিনা কিভাবে বুঝবেন?

আপনার শিশু বুকের দুধ খাওয়ার সময় নিচের ব্যাপারগুলো ঘটতে থাকলে আপনি বুঝবেন শিশু ভালোভাবে স্তন মুখে নিয়েছে-

  • বুকের দুধ খাওয়ানো আপানার জন্য আরামদায়ক হলে।
  • আপনার শিশুর জোরে বা ধীরে কিন্তু নিয়মিত বুকের দুধ চুষতে থাকলে।
  • আপনি শিশুর ঢোক গেলার শব্দ শুনতে পেলে।
  • আপনার শিশুর ঠোট বাইরের দিকে প্রসারিত এবং মুখ বড় করে খোলা থাকলে। শিশুর মুখের গভীরে স্তন ঢুকানো থাকলে আপনি তার ঠোট নাও দেখতে পারেন।
  • আপনার শিশু বুকের দুধ চোষার সময় তার কান বা কপাল নড়াচড়া করলে।

যখন আপনার শিশুর খাওয়া শেষ হয়-

  • আপনার স্তনের বোঁটার আকার স্বাভাবিক, সুগঠিত থাকবে এবং সেগুলো দেখতে মোচড়ানো মনে হবেনা।
  • আপনার স্তনগুলো নরম অনুভূত হয়। বুকের দুধ খাওয়ানোর প্রথম কয়েক সপ্তাহে এটি বেশি লক্ষণীয়।
  • আপনার শিশু নিরুদ্বেগ এবং পরিতৃপ্ত থাকবে। ছোট শিশুরা তাদের খাওয়া শেষ হয়ে গেলে ঘুমিয়ে পড়তে পারে। বড় শিশুরা জেগে থাকতে পারে তবে তার মুখ ফিরিয়ে নিয়ে অথবা খেলা শুরু করার মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দেবে যে তাদের খাওয়া শেষ।
  • ছোট শিশুরা প্রায়ই স্তনে ঘুমিয়ে পড়ে, কিন্তু আপনি যদি তাদের সরিয়ে নেন তবে তারা আবার জেগে যায়। আপনার শিশু এটি করলে, তা তার খাওয়া শেষ না হওয়ার একটি লক্ষন।

বুকের দুধ খাওয়ানো যন্ত্রণাদায়ক হলে কি হবে?

শিশুর ভালোভাবে স্তন মুখে না ঢুকানোই হল যন্ত্রণাপূর্ণ স্তনের বোঁটার সবচেয়ে সাধারন কারণ। আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনার শিশু স্তন ভালোভাবে মুখে ঢুকাতে পারেনি?

  • আপনার স্তনের বোঁটা যখন শিশুর মুখ থেকে বের বয়ে আসে তখন এটি এক পাশে চ্যাপ্টা দেখায়।
  • আপনার স্তনের বোঁটায় ফাটল, ফোস্কা ও রক্তখরন দেখবেন।

শিশু তার মুখের ভিতরে আপনার স্তনের পর্যাপ্ত পরিমান না পেলে আপনার স্তনের বোঁটা ব্যাথা করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি নিচের ব্যাপারগুলো চেষ্টা করতে পারেন।

  • শিশুর কাঁধ আপনার কাছাকাছি নিয়ে এসে আলতোভাবে চাপ দিন।
  • পেছনে হেলান দিন যাতে শিশু বেশি আপনার উপর থাকে।
  • শিশুকে তার মুখের ভিতরে আপনার স্তনের বেশি পরিমান পেতে সাহায্য করুন।

বুকের দুধ খাওয়ানো যন্ত্রণাদায়ক হওয়ার কথা নয়। এক বা দুই দিন পর আপনার স্তনের বোঁটা ভাল না হলে, আপনার আরও সাহায্য প্রয়োজন হতে পারে। অন্য কোন কারন থাকতে পারে। যদি যন্ত্রণাদায়ক হয়, কেন এটি যন্ত্রণাদায়ক এবং কিভাবে এটির সমাধান করা যায় তার জন্য একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

সবার জন্য শুভকামনা

তথ্যসূত্রঃ  

অন্টারিওস ম্যাটারনাল, নিউ বর্ণ এন্ড আর্লি ইয়ার্স চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট রিসোর্স সেন্টার।

Source: fairy land

শিশুদের দেহে বড়দের তুলনায় পানির ভাগ বেশি থাকে। রোজাতে শিশুদের পানিশূন্যতা বেশি হয়। রোজাতে শিশুদের অনেকক্ষণ খাবার না খেয়ে থাকতে হয় বলে মাথাব্যথা, বমি বমি..

Read More

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More