All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

বাচ্চার গ্যাসের সমস্যা সমাধানে কি করা যেতে পারে?

বাচ্চাকে গ্যাসের কারণে কষ্ট পেটে দেখতে সব বাবা মায়েরই খারাপ লাগে। তবে কিছু কিছু পদ্ধতিতে আপনি বাচ্চার পেটে গ্যাস বের করে দিয়ে তার কষ্ট কমাতে পারেন।

দুধের বোতল

বাচ্চা যদি বোতলে দুধ খায় তবে খেয়াল রাখুন যাতে দুধ খাওয়ার সময় বাচ্চার পেটে বাতাস বেশী না যায়। বোতল উচু করে ধরুন যাতে বোতলের নিপল দুধ পরিপূর্ণ থাকে। নিপল খালি থাকলে দুধের সাথে সাথে বাতাস বাচ্চার পেটে যেতে পারে। বোতলের নিপলের ছিদ্র যাতে বেশী ছোট বা বেশী বড় না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। নিপল বেশী বড় বা ছোট হলে বাচ্চার ঢোক গিলতে হয় বেশী যা গ্যাস উদ্দ্রেক করে। বাজারে এখন অ্যান্টি কলিক অনেক ফীডিং বোতল কিনতে পাওয়া যায় যেগুলো বাচ্চার পেটে বাতাস যাওয়ার পরিমান অনেকাংশে কমাতে সাহায্য করে।

খাওয়ানোর সময় বাচ্চার পজিশন

বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময় তার উপরিভাগ উঁচু করে ধরুন যাতে দুধ সহজে এবং দ্রুত তার পেটে যেতে পারে। যদি খাওয়ানোর সময় বাচ্চা বাকা হয়ে থাকে তবে গ্যাস বেশী হতে পারে।

খিদে পাওয়ার আগেই খাওয়ান

বাচ্চাকে খিদে পাওয়ার আগেই খাওয়ান। যদি সে খিদের কারণে কাঁদতে থাকে তবে কান্নার সাথে সাথে যেমন পেটে বাতাস যায় তেমনি খাওয়ানোর সময় সে খিদের কারণে তারাতারি খেতে চায় বলে বেশী বেশী ঢোক গিলতে থাকে এবং সেই সাথে বাতাসও। খাওয়ানোর সময় বাচ্চাকে শান্ত পরিবেশে খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।

ঢেঁকুর তুলুন 

খাওয়ানোর সময় বার বার ঢেঁকুর তোলালে বাচ্চার পেট থেকে বাতাস বেরিয়ে যায়। বাচ্চার খাওয়া শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় স্তন পরিবর্তন করার আগে বা বোতলে দুধ খাওয়ানোর সময় কয়েক মিনিট পর পর বাচ্চার ঢেঁকুর তুলুন। খাওয়ানোর ঠিক পরপর আবার ঢেঁকুর তোলাতে হবে। ঢেঁকুর তোলানর জন্য বাচ্চাকে আপনার কাঁধে এমনভাবে নিন যাতে তার থুতনি আপনার কাঁধে থাকে। একহাতে বাচ্চাকে ধরুন এবং আরেক হাত দিয়ে বাচ্চার পিঠ মাসাজ করে দিন বা আস্তে আস্তে চাপড়ে দিন। বাচ্চা যদি তার মাথা তুলে ধরার মত উপযোগী হয় তবে তাকে এমনভাবে কাঁধে নিতে পারেন যাতে তার পেট আপনার কাঁধে লেগে থাকে এবং এরপর আস্তে আস্তে তার পিঠ চাপড়ে দিন বা মাসাজ করে দিন। এতে বাচ্চার পেটে আরেকটু বেশী চাপ পড়বে।  এভাবে যদি বাচ্চা পছন্দ না করে তবে বাচ্চাকে কোলে উপুড় করে শুইয়ে তার পিঠ মাসাজ করে দিতে পারেন।

বেবী বাইসাইকেল

বাচ্চাকে চিৎ করে শোয়ান। তার পা দুটো দু হাতে ধরে আস্তে আস্তে সাইকেল চালানোর ভঙ্গিতে নাড়াতে থাকুন। দিনে বেশ কয়েকবার এভাবে বাচ্চার মুভমেন্ট করান। ডায়াপার পাল্টানোর সময় করতে পারেন। অনেক বাচ্চার ক্ষেত্রেই এতে গ্যাস বেরিয়ে যায়।

পেটে মাসাজ করুন

বাচ্চাকে চিৎ করে শুইয়ে আস্তে আস্তে তার পেট মাসাজ করতে পারেন। এতে বাচ্চার রিলাক্স হওয়ার পাশাপাশি গ্যাস সমস্যার উপসম হতে পারে। এছাড়াও বাচ্চাকে আপনার হাঁটুর উপর পেটে ভর দিয়ে শুইয়ে তার পিঠে মাসাজ করে দিতে পারেন। এর ফলে মাঝে মাঝে অতিরিক্ত বাতাস বেরিয়ে যায়। খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চার মাথা যেন ঝুঁকে না যায়। এজন্য এভাবে মাসাজ করার সময় আরেক হাতে বাচ্চাকে সাপোর্ট দিতে হবে।

গ্যাসের ওষুধ ও অন্যান্য

অনেক বিশেষজ্ঞই বাচ্চার গ্যাসের সমস্যা নিরাময়ে বিভিন্ন গ্যাসের ওষুধের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। গ্রাইপ ওয়াটার ও অনেক সময় ব্যাবহার করা হয়। এগুলোতে শিশুর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারনত পাওয়া যায়নি তবে বিভিন্ন গবেষণাতে এটাও প্রমানিত হয়নি যে এগুলো খুব বেশী একটা কার্যকর। বাচ্চার গ্যাসের সমস্যা কেন হচ্ছে সেটা আগে চিহ্নিত করা দরকার এবং সে সমস্যাটার সমাধান জরুরী। যদি কোন খাবারের কারণে বাচ্চার গ্যাস হয় সেটা আগে চিহ্নিত করতে হবে। নয়ত যে কাজটার কারণে তার সমস্যা হচ্ছে সেটা চলতেই থাকবে আর তাকে বিভিন্ন ওষুধও খাওয়ানো হবে। এতে তার ক্ষতি ছাড়া লাভ কিছু হবেনা। মনে রাখতে হবে প্রতিকারের চাইতে প্রতিরোধ করাটাই উত্তম। তাই উপরে যে পদ্ধতির কথাগুলো আলোচনা করা হয়েছে সেগুলো চেষ্টা করে দেখুন। একেবারেই যদি কিছু না হয় বা বাচ্চা বেশী কষ্ট পায় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করাতে পারেন।

কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে? 

যদি বাচ্চার গ্যাসের সমস্যার সাথে অন্যান্য আরও কিছু লক্ষন দেখা যায়, যেমন- বমি, ডায়রিয়া বা জ্বর তবে দ্রুত ডাক্তারকে জানান। এগুলো বাচ্চার ফুড অ্যালার্জি, স্টোমাক ফ্লু বা GERD এর লক্ষন হতে পারে।

সবার জন্য শুভকামনা।

Source: fairy land

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More

গরমে বড়দেরই জীবনই অতিষ্ঠ হয়ে উঠে তাই ছোটদের তো কথাই নেই। গরমে শিশুরা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি ঘামে। এ সময় তাদের মৌসুমজনিত নানারকম সমস্যা দেখা..

Read More