All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

দ্রুত Baby conception এর জন্য মায়েরা এই উপায় টি ট্রাই করতে পারেন ! আল্লাহ যদি চান নিরাশ হবেন না!

পরিকল্পনা হয়ে গেছে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। কী তাই তো! তাহলে এক্ষুনি পড়ে ফেলুন এই প্রবন্ধটি। কারণ এই প্রবন্ধে এমন কিছু বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হল, যা আপনার প্রেগনেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা বাড়াবে। প্রত্য়েক মহিলাই একটা সময়ে মা হতে চান। কিন্তু অনেকের সেই সৌভাগ্য় হয় না। নানা কারণে এমনটা ঘটে থাকে। তবে মূল কারণ হল শারীরিক অক্ষমতা। শুধু মায়ের নয়, স্বামীরও। তাই পরিকল্পনার একেবারে প্রথম ধাপ থেকেই স্বামী এবং স্ত্রী, উভয়েরই নিজেদের শারীরিক ক্ষমতার দিকে নজর রাখতে হবে। আর এখানেই আপনাদের সাহায্য় করতে পারে এই প্রবন্ধটি। কারণ এই লেখায় এমন একটি রেসিপি নিয়ে আলোচনা করা হল, যা মায়ের শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে দারুন কাজে আসতে পারে।

রেসিপিটি বানাতে প্রয়োজন পড়বে: উপকরণ: ১. অ্যাভোকাডোর মজ্জা- ৩ চামচ ২. অলিভ অয়েল- ১ চামচ

ভাবী মায়েদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে এই দুটি উপাদান দারুন কাজে আসে। তাই যারা মা হওয়ার কথা ভাবছেন তাদের প্রতিদিন খেতে হবে এটি। তবে এখানেই শেষ নয়। এই ঘরোয়া পথ্য়টি খাওয়ার পাশাপাশি মাকে ঠিক মতো খাবার খেতে হবে, সেই সঙ্গে প্রতিদিন শরীরচর্চা করা তো মাস্ট। প্রসঙ্গত, স্ট্রেস প্রগন্য়ান্সির ক্ষেত্রে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই এদিকটা খেয়াল রাখাটাও জরুরি। অ্যাভোকাডো ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি ফ্য়াটি অ্যাসিড, যা মহিলাদের ডিমের মান ভালো করে। ফলে প্রেগনেন্ট হতে সময় লাগে না। অপরদিকে অলিভ অয়েলও অনেকটা একই কাজ করে থাকে। এই তেলটিতে রয়েছে ভিটামিন-ই, যা প্রজেস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে ভাবী মাকে শারীরিকভাবে আরও সক্ষম করে তোলে।

কীভাবে বানাবেন এই রেসিপি:

  • ১. প্রথমে একটা বাটিতে পরিমাণ মতো উপকরণ দুটি নিন।
  • ২. এবার উপকরণ দুটি ভালো করে মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করুন।
  • ৩. প্রতিদন রাতের খাবারের পর এই মিশ্রনটি, ৩-৪ মাস খান।
  • ৪. এর পরেও যদি গর্ভবতি হতে কোনও সমস্য়া হয়, তাহলে অবশ্য়ই চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন। প্রয়োজনে টেস্ট করে দেখে নিন ইউটেরাসে কোনও সমস্য়া আছে কিনা।

Source:boldsky

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More

গরমে বড়দেরই জীবনই অতিষ্ঠ হয়ে উঠে তাই ছোটদের তো কথাই নেই। গরমে শিশুরা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি ঘামে। এ সময় তাদের মৌসুমজনিত নানারকম সমস্যা দেখা..

Read More