All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

গর্ভের শিশুর নড়াচড়া সংক্রান্ত কিছু জরুরী বিষয়

আপনার গর্ভের শিশুটির স্বাস্থ্য ঠিক আছে কিনা জানার একটা সবচেয়ে সহজ উপায় হল ও কতটা নড়াচড়া করছে সে ব্যাপারে সচেতন থাকা। প্রত্যেকটি শিশুই আলাদা এবং প্রত্যেক মায়ের উচিৎ তিনি যেন সময় নিয়ে গর্ভের শিশুর নড়াচড়া করার নিজস্ব ধরণগুলির ব্যাপারে পরিচিত হন। আপনার শিশুর নড়াচড়া হ্রাস পেলে বা পরিবর্তন হলে সেটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

গর্ভের শিশুর নড়াচড়া গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে আপনার শিশুস্বাভাবিকের চেয়ে কম নড়াচড়া করছে বা নড়াচড়ার ধরণটি বদলে গেছে, আপনার শিশুটি যে সুস্থ না বা গর্ভে ঠিকভাবে বেড়ে উঠছে না তা বোঝার এটি প্রথম লক্ষণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে শিশুর নড়াচড়া কমে গেলে মৃত সন্তান প্রসবের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

আপনার শিশুটির স্বাস্থ্য ঠিক আছে কিনা জানার সবচেয়ে সহজ উপায় হল ও কতটা নড়াচড়া করছে সে ব্যাপারে জানা । প্রত্যেকটি শিশুই আলাদা । আপনার শিশুর নিজস্ব নড়াচড়া এবং ওর ঘুমোনো ও জেগে ওঠার ধরণগুলি জেনে রাখা ভাল এবং আপনি যদি  কম নড়াচড়া লক্ষ্য করেন তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

কেউ কেউ আপনাকে বলতে পারে যে গর্ভাবস্থার শেষ দিকটায় এবং আপনার প্রসবে যাওয়া পর্যন্ত আপনার শিশুকম নড়াচড়া করবে। কিন্ত তা নয়। কোনরকম পরিবর্তন হলে আপনার তা জানানো জরুরী কারণ আপনার শিশুযে সুস্থ নেই এটা তার সংকেত হতে পারে।

গর্ভের শিশুর নড়াচড়া কিসে প্রভাবিত হতে পারে ?

সাধারণত গর্ভের ১৮ থেকে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে মায়েরা গর্ভস্থ বাচ্চার নড়াচড়া বা মুভমেন্ট টের পেয়ে থাকেন। যারা প্রথমবার গর্ভধারণ করেছেন তাদের ক্ষেত্রে মুভমেন্ট বুঝতে কিছুটা সময় বেশি লেগে থাকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে দিনের মধ্যে সব সময় কি মুভমেন্ট একই রকম থাকবে?- না। বাচ্চারা ঘুমের সময় কোনো মুভমেন্ট করে না। এই স্লিপিং ফেজ সর্বোচ্চ ৯০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। আরো অন্যান্য যেসব সাধারণ কারণে মায়েরা বাচ্চার নড়াচড়া স্বাভাবিকের চেয়ে কম পেতে পারেন সেগুলো হচ্ছে-

  • পাসেন্টা বা গর্ভফুল সামনে থাকলে।
  • মায়ের কিছু ওষুধের কারণে, যেমন তীব্র ব্যথা বা ঘুমের ওষুধের কারণে মুভমেন্ট কমে যেতে পারে।
  • কোনো কারণে বাচ্চার শ্বাসকষ্ট হলে কিংবা ফিটাল ডেথ হওয়ার আগে মুভমেন্ট কমে যায়।
  • আ্যামনিওটিক ফ্লুইড কমে গেলে।
  • মায়েরা আ্যালকোহল বা ধূমপানে অভ্যস্ত থাকলে।
  • মায়ের মানসিক বা শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হলে।
  • বাচ্চার নিউরোমাস্কুলার ডিজিজ থাকলে।

গর্ভের শিশুর নড়াচড়ার ধরন-

১৮ থেকে ২৪ সপ্তাহ

বেশির ভাগ মহিলা তাদের শিশুদের নড়াচড়া ১৮-২৪  সপ্তাহের মধ্যে টের পান। প্রথমে এগুলি “বুদ্বুদ” “কম্পন” বা “রূদ্ধ বাতাস” বলে মনে হতে পারে। এগুলি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে খুব সংক্ষিপ্ত এবং বন্ধ হয় ও শুরুহয়। আপনার হয়ত অনুভূতিগুলি বুঝে উঠতে একটুসময় লেগে যায়। কিন্তু আপনি খুব শীঘ্র অনুভূতিগুলির ব্যাপারে বুঝতে পারবেন। যদি এটি আপনার দ্বিতীয় সন্তান হয়, আপনি বুঝতে পারবেন কোন ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে এবং হয়ত আপনার শিশুর নড়াচড়া শীঘ্র চিনে নিতে পারবেন।

নড়াচড়ার ক্ষেত্রে সবাই ভিন্ন। আপনি যতটা তাড়াতাড়ি নড়াচড়াগুলি বুঝতে পারবেন ভেবেছিলেন ততটা তাড়াতাড়ি না বোঝার অনেক কারণ থাকতে পারে।এর মধ্যে রয়েছে আপনার শিশুর ওজন, আপনার শিশুর অবস্থান এবং আপনার গর্ভনাড়ীর অবস্থান। যা গুরুত্বপূর্ণ তা হল আপনার শিশুর ভাল বৃদ্ধি হচ্ছে। আপনার ২২ সপ্তাহের পরীক্ষার সময় আপনার বিশেষজ্ঞ আপনার সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে আরো আলোচনা করতে পারবেন।

২৪ থেকে ৩৬ সপ্তাহ

আপনার শিশুর নিজস্ব নড়াচড়াগুলি বর্ননা করার আপনার নিজস্ব উপায় থাকবে। মহিলারা প্রায়শইঃ তাদের শিশুদের নড়াচড়াগুলিকে বর্ণনা করেন এইভাবে – “গড়াচ্ছে”, “লাথি মারছে”,”খোঁচা  মারছে”, “কনুই মারছে”, এবং “টান টান হচ্ছে ”।  ২৪-৩৬  সপ্তাহের মধ্যে আপনি আপনার শিশুর নড়াচড়াগুলি আরো বেশি করে বুঝতে পারবেন এবং সেই অনুভূতিটির ব্যাপারে আরো অভ্যস্ত হয়ে পরবেন। আপনি যখন শুয়ে থাকবেন সাধারণতঃ তখনই আপনার শিশুর নড়াচড়াগুলি বোঝা আরো সহজ হবে যেমন রাত্রি বেলা। আপনি যখন হাঁটছেন বা  ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তখন আপনার শিশুর নড়াচড়া বোঝা কঠিন হবে। বোঝার চেষ্টা করুন দিনে কতবার আপনার শিশুর নড়াচড়া আপনি সবচেয়ে বেশি বুঝতে পারছেন। এতে আপনি বুঝতে পারবেন  সে    স্বাভাবিকের তুলনায় কম নড়ছে নাকি তার নড়াচড়া বন্ধ হয়ে গেছে। মাঝে মধ্যে আপনার শিশুহেুঁচকি তুলবে। এগুলিকে গতির মধ্যে গণ্য হয়না।

৩৬ থেকে ৪২ সপ্তাহ

৩৬-৪২ সপ্তাহে, আপনার শিশুবেশি নড়ার জায়গা পাবে না এবং আপনি হয়ত হাত বা পায়ের নড়াচড়া এবং গড়ানোটিই বুঝতে পারবেন।

আপনার শিশুর নড়াচড়াগুলি অন্যরকম মনে হতে পারে কিন্তুকতটা ঘন ঘন নড়াচড়া করে তাতে পরিবর্তন হওয়া উচিত না। আপনি যদি দেখেন যে আপনার শিশু স্বাভাবিকের তুলনায় অতটা নড়াচড়া করছে না বা নড়া বন্ধ হয়ে গেছে তাহলে নিচের কিছু টিপস ব্যাবহার করতে পারেন-

আপনার যদি মনে হয় যতটা উচিৎ তার তুলনায় আপনার শিশুততটা নড়াচড়াকরছে না তখন:

  • বাঁ দিকে ঘুরে এক ঘন্টা শুয়ে থাকুন এবং শিশুর নড়াচড়া গুনতে থাকুন।
  • গরম বা ঠান্ডা পানীয় খান।
  • টিভি দেখবেন না বা বই পড়বেন না, নিজেকে অন্য কোনভাবে অন্যমনস্ক করে রাখবেন না।

আপনার যদি তাও মনে হয় যে আপনার শিশুটি নড়াচড়া বন্ধ করে দিয়েছে বা স্বাভাবিকের তুলনায় কম নড়ছে, সেক্ষেত্রে তত্ক্ষণাত আপনার প্রসূতিবিভাগে ফোন করুন। আপনার শিশুযদি কয়েক দিন ধরে ক্রমশঃ নড়া কমিয়ে দেয়, সেক্ষেত্রেও আপনাকে দ্রুত ফোন করতে হবে।

সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য নিন। সাহায্যের জন্যে পরের দিনের জন্যে অপেক্ষা করবেন না

আপনার গর্ভের শিশুর নড়াচড়া কম বলে আপনাকে যদি প্রসূতি বিভাগে যেতে হয়, আপনার ডাক্তার আপনাকে আপনার শিশুর নড়াচড়া, এবং আপনার ও আপনার শিশুর স্বাস্থ্যের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবেন। আপনার শিশুর হৃদ স্পন্দন পরীক্ষা সহ একটি পূর্ণ প্রসব পূর্ব পরীক্ষা করা হবে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার একটি আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান হবে। এতে আপনার শিশুর চারপাশে তরলের পরিমানটি পরীক্ষা করা হবে। এটিকে বলা হয় অ্যামনিওটিক ফ্লুইড। আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যানের মাধ্যমে আপনার শিশুকতটা বাড়ছে তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে। আপনি যদি ২৭  সপ্তাহের বেশি গর্ভবতী হয়ে থাকেন, আপনার শিশুর হৃদ স্পন্দন অন্ততপক্ষে ২০ মিনিট ধরে পর্যবেক্ষণ করা হবে। আপনি দেখতে পাবেন আপনার শিশুর নড়াচড়ার সময় তার হৃদস্পন্দন বাড়ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই পরীক্ষাগুলির মাধ্যমে নিশ্চিন্ত হওয়া যায় যে সবকিছুঠিক আছে।

আপনি যখন বাড়ি যাবেন, আপনাকে আপনার গর্ভের শিশুর নড়াচড়ার উপর নজর রাখতে বলা হবে। আপনার গর্ভের শিশুর নড়াচড়া যদি আবার কমে যায়, তাহলে আপনাকে আপনার ডাক্তার স্থানীয় প্রসূতিবিভাগে সঙ্গে সঙ্গে খবর দিতে হবে। পরামর্শের জন্যে আপনার ডাক্তার বা স্থানীয় প্রসূতিবিভাগে যোগাযোগ করতে ভুলবেন না তা সে যতবারই হোক না কেন। সবার জন্য শুভকামনা।

 

তথ্যসূত্রঃ
www.nhs.uk

কৃতজ্ঞতা ঃ fairyland

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More

গরমে বড়দেরই জীবনই অতিষ্ঠ হয়ে উঠে তাই ছোটদের তো কথাই নেই। গরমে শিশুরা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি ঘামে। এ সময় তাদের মৌসুমজনিত নানারকম সমস্যা দেখা..

Read More