All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

আপনি কি গর্ভাবস্থায় অঘটনের এই ৫টি বিপদচিহ্ন চেনেন?

রাসেলের (ছদ্মনাম) স্ত্রী শিউলি ( ছদ্মনাম) সন্তান সম্ভবা। সাত মাস চলছে। তাদের দুইজনের পরিবারই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কখন তারা নতুন অতিথির মুখ দেখবেন। হুট করেই, শিউলিকে রাসেলের বাড়ি থেকে শিউলির বাবা মায়ের কাছে নিয়ে যাবার সময় শিউলি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয় কারণ নির্ধারিত সময়ের আগেই তার প্রসব বেদনা উঠে। সে দুটি যমজ সন্তানের জন্ম দেয় ও দুর্ভাগ্যজনকভাবে দুটি সন্তানই মারা যায়।

বাংলাদেশে এরকম ঘটনা অহরহ ঘটছে কারণ আমরা সচেতন নই। সচেতন নই গর্ভাবস্থায় কি ধরণের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হয়।

গর্ভে সন্তান আসার পর থেকে তার ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত সময়টি খুবই গুরত্বপূর্ণ। সামান্য একটু অসচেতনতা ঘটাতে পারে মা ও তার অনাগত সন্তানের ক্ষতি। তাই আসুন জেনে নিই গর্ভাবস্থার কিছু বিপদচিহ্ন।

১/ যোনি থেকে রক্তপাত
গর্ভকালীন সময়ের যেকোন পর্যায়েই রক্তপাত হতে পারে। এবং এরকম হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। গর্ভাবস্থার ১ম ৩ মাসে যদি এরকম রক্তপাত হয়, তবে এটা ইস্ক্যারেজ বা ভ্রূণ নষ্ট হয়ে যাবার লক্ষণ। আর এরকম রক্তপাত যদি ৩ মাস সময়ের পরে হয়, তবে তা বিভিন্ন কারণের ইঙ্গিত বহন করে। এটা হতে পারে মিসক্যারেজ বা বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাবার ফলে অথবা প্ল্যাসেন্টা বা অমরার আবরণ ছিন্ন হয়ে গেলে। এছাড়া যেকোন ধরণের সংক্রমণ হলেও রতপাত হতে পারে। তি এরকম অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বিলম্ব না করেই।

২/ মাথাব্যথা বা চোখে ঝাপসা দেখা
গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহ পরে এ সমস্যা দেখা দেয়। এসময় গর্ভবতী মায়ের শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যায় ও প্রস্রাবের সাথে দেহ থেকে প্রোটিন চলে যেতে থাকে। এর কম হলে আরো ধরে নিতে হবে যে, কিডনি ঠিকভাবে কাজ করছে না। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করা না হলে এ সমস্যাটি ইক্যামপ্লিসিয়ানামে জটিল সমস্যায় রুপান্তরিত হতে পারে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ ও হার্ট এটাক হতে পারে।

৩/ গর্ভস্থ সন্তানের নড়াচড়া কমে যাওয়া
শিশু যখন মায়ের জরায়ুতে থাকে তখন ঘুমিয়ে থাকে- এটা সাধারণভাবে আমরা জানি। কিন্তু গর্ভস্থ সন্তান যদি হুট করে সব ধরণের নড়াচড়া বন্ধ করে দেয় তবে তা অবশ্যই বিপদের লক্ষণ। এরকম ঠিক তখনোই ঘতে যখন গর্ভস্থ শিশু কোনো সমস্যা বা অস্বস্তিকর অবস্থায় থাকে। এখন এটা কিভাবে বুঝতে পারবেন যে আপনার অনাগত সন্তান কোন সমস্যায় রয়েছে কিনা। American Congress of Gynaecologists and Obstetricians (ACOG) এ ব্যপারে একটি পরামর্শ দিয়েছে। গর্ভস্থ সন্তান মায়ের পেটে থাকতেই হাত বা পা ছোঁড়াছুড়ি করে। ফলে মায়ের পেটের ভেতরের দিকে তার পায়ের স্পর্শ পাওয়া যায়। আমাদের এটা বের করতে হবে যে, প্রতি ১০ বার পা দিয়ে মায়ের পেট স্পর্শ করতে বা কিক দিতে শিশুটির কতক্ষণ সময় লাগছে। যদি এ সংখ্যাটি কমে যায় কিংবা ১০ টি কিক সম্পন্ন করতে গর্ভস্থ সন্তানের ২ ঘন্টার বেশি সময় লাগে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৪/ যোনি থেকে হঠাৎ করে পানি নির্গত হওয়া
গর্ভাবস্থায় জরায়ু বড় হয়ে যাওয়া মূত্রথলির উপ চাপ পড়ে। তাই প্রস্রাব করার সময় খেয়াল রাখতে হবে অতিরিক্ত প্রস্রাব হচ্ছে কিনা। ধরুন, আপনি পানি পান করলেন ও হুট করেই দেখলেন প্রস্রাবের স্থানটি ভিজে গিয়েছে, তাহলে আপনাকে সতর্ক হতে হবে। এরকম হওয়ার একটা বিপজ্জনক কারণ হচ্ছে, গর্ভস্থ সন্তান যে আবরণ দ্বারা আবৃত থাকে মায়ের গর্ভে, সেটা ফেটে গেছে। এর ফলে গর্ভস্থ সন্তান বিভিন্ন সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই এরকম হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন যিনি বুঝতে পারবেন যে যোনি বা প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে নির্গত পানি কারণ কি।

৫/ দীর্ঘ সময় পিঠে ব্যথা হওয়া
বেশিরভাগ নারীই গর্ভকালীন সময়ে এরকম সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন। তবে এটা যদি দীর্ঘমেয়াদী হয়ে থাকে তবে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ করে কিডনি বা মুত্রথলিতে কোন সমস্যা রয়েছে কিনা তা নির্ণয় করা যাবে।

সচেতন হউন। নিজেকে আর গর্ভের শিশুকে নিরাপদ রাখুন

দীর্ঘ নয়মাস গর্ভধারণের কষ্টগুলো একরাশ আনন্দে পরিণত হয় নিরাপদে সুস্থ্য বাচ্চা জন্ম দেবার মধ্য দিয়ে। নিজেকে এবং গর্ভের শিশুকে নিরাপদ রাখার জন্য সচেতন হতে হবে আপনাকে এবং আপনার স্বামীকেও। তাই এই আর্টিকেল-এ উল্লেখ করা বিষয় গুলো নোট করে রাখুন। আর শেয়ার করুন আপনার পরিচিত গর্ভবতি মায়েদের সাথে।

supermom

শিশুদের দেহে বড়দের তুলনায় পানির ভাগ বেশি থাকে। রোজাতে শিশুদের পানিশূন্যতা বেশি হয়। রোজাতে শিশুদের অনেকক্ষণ খাবার না খেয়ে থাকতে হয় বলে মাথাব্যথা, বমি বমি..

Read More

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More