All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

বাচ্চাদের গরুর দুধ খাওয়ানো যেতে পারে কি?

আজকালকার বাবা-মায়েরা তাদের বাচ্চাদের নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত সচেতন হলেও অনেক বিষয় নিয়েই তারা ভাল-মন্দের মধ্যে ফারাক করতে পারেন না। যেমন ধরুন একদল তাদের বাচ্চাদের জন্ম নেওয়ার কয়েক মাস পর থেকেই গরুর দুধ খাওয়াতে শুরু করে দেন। কারণটা যতটা না শারীরিক, তার থেকে অনেক বেশি অর্থনৈতিক। কী বলছি ঠিক বুঝলেন না তো? আসলে এই একবিংশ শতকে বাবা-মা দুজনেই চাকরিজীবী হন। ফলে যত তাড়াতাড়ি বাচ্চা মায়ের দুধ খাওয়া বন্ধ করে দেয়, ততই তো মায়ের ভাল। তাতে তার পক্ষে চাকরিতে যোগ দেওয়া অনেক সহজ হয়ে যান। কিন্তু এত কম বয়সে বাচ্চাকে গরুর দুধ খাওয়ানো ঠিক কি? এই উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হল এই প্রবন্ধে।

জেনারেল গাইডলাইন বাচ্চার বয়স ৬ মাস না হওয়া পর্যন্ত তাকে মায়ের দুধ ছাড়া আর কিছুই খাওয়ানো যাবে না। এই সময়ের পর থেকে ১ বছর পর্যন্ত অল্প করে গরুর দুধ দেওয়া যেতে পারে। ১ বছরের পর থেকে ব্রেস্ট ফিডিং না করিয়ে বাচ্চাকে পুরোদস্তুর গরুর দুধ খাওয়ালে কোনও ক্ষতি হয় না। তবে প্রতিটি বাচ্চার শারীরিক চাহিদা যেহেতু ভিন্ন ভিন্ন হয়, তাই ডায়েটে কোনও পরিবর্তনের আগে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না।

১ বছরের আগে গরুর দুধ খাওয়ানো যাবে না কেন? এই সময়ের আগে বাচ্চার হজম ক্ষমতা সেই পর্যায়ে পৌঁছায় না যে সে ব্রেস্ট মিল্ক ছাড়া অন্য কিছু খেতে পারবে। তাই তো এক বছরের জন্ম দিনের আগে নবজাতককে গরুর দুধ খাওয়াতে মানা করেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, এই সময়ের আগে যদি বাচ্চাকে গরুর দুধ খাওয়ানো হয়, তাহলে এতে থাকা প্রোটিন এবং মিনারেল হজম করতে না পেরে বাচ্চার কিডনির সমস্যা, রক্তাল্পতা, অ্যালার্জি, ডায়ারিয়া, পেটের রোগ, বমি প্রভৃতি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

১২ মাস পর থেকে গরুর দুধ খাওয়ানো যেতে পারে কি? নবজতকের প্রথম জন্মদিন পালনের পর থেকেই ধীরে ধীরে তাকে গরুর দুধ খাওয়ানো শুরু করা যেতে পারে। কারণ এই সময় বাচ্চার হজম ক্ষমতা গরুর দুধকে হজম করে নিতে সক্ষম হয়। ফলে কোনও ধরনের শারীরিক সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। প্রসঙ্গত, গরুর দুধে উপস্থিত একাধিক পুষ্টিকর উপাদান এই সময় বাচ্চার হাড় এবং দাঁতের গঠনে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে রক্ত প্রবাহ ভাল করার পাশপাশি পেশির গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, গরুর দুধে উপস্থিত ভিটামিন-ডি আরও নানাভাবে শিশুকে সুস্থ-সবল থাকতে সাহায্য করে থাকে। এক্ষেত্রে একটা জিনিস জেনে রাখা প্রয়োজন যে, গরুর দুধে প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম থাকে। তাই তো ছোট বয়সে বাচ্চাদের বেশি করে এই দুধ খাওয়ালে বড় বয়সে গিয়ে হাড়েক রোগ, ব্লাড প্রেসার, স্ট্রোক এবং কোলন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে।

গরুর দুধের সঙ্গে বাচ্চাকে মায়ের দুধ খাওয়ানো যাবে কি? একবার গরুর দুধ খাওয়ানো শুরু করে দিলে বাচ্চাকে আর মায়ের দুধ না খাওয়ালেও চলবে। কিন্তু যদি দেখেন আপনার বাচ্চা গরুর দুধ খেতে চাইছে না, সেক্ষেত্রে ব্রেস্ট মিল্ক খাওয়ানো ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না। তবে ধীরে ধীরে বাচ্চাকে গরুর দুধ খাওয়ানোর অভ্যাস করাটা কিন্তু জরুরি।

১ বছরের পর থেকে কত পরিমাণ দুধ খাওয়াতে হবে? একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে ১ বছর বয়সি বাচ্চার শরীরে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিনের চাহিদা পূরণের জন্য দিনে ১-২ কাপ গরুর দুধ খাওয়ানো জরুরি।

বয়স অনুযায়ী বাচ্চার ডায়েট চার্ট: ১. নবজাতককে কেবল মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। এই সময় আর কোনও খাবার দেওয়া চলবে না। প্রসঙ্গত, ১ মাস বয়স পর্যন্ত প্রতি ২ ঘন্টা অন্তর খাওয়াতে হবে। আর ১-৪ মাস বয়স পর্যন্ত প্রতি ২-৪ ঘন্টা অন্তর ব্রেস্ট মিল্ক ফিড করতে হবে নবজাতককে। ২. ৫-৬ মাস বয়সের শিশুরাও খাবে ব্রেস্ট মিল্ক। যদিও এই সময় পরিমাণ একটু বাড়বে। কারণ এই বয়সে এসে বাচ্চার হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘঠতে শুরু করে। ৩. ৬-৮ মাস বয়সিদের ব্রেস্ট মিল্ক, অল্প করে গলা ভাত, ওটস, গলানো কলা, আম, জাম এবং নাশপাতি খাওয়ানো যেতে পারে। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে। ৪. ৮-৯ মাস বয়সিদের ব্রেস্ট মিল্কের সঙ্গে বার্লি, রাগি, ভাত এবং ওটস খাওয়াতে পারেন। ফলের ক্ষেত্রে খাওয়াতে পারেন আপেল, কলা, খেজুর (বীজ ছাড়া), আঙুর, আম, নাশপাতি প্রভৃতি। ৫. ১০-১২ মাসের বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে কলা, আপেল, পেঁপে, আঙুর, আম, আলু, রাঙা আলু, ব্রকলি, কর্নফ্লাওয়ার, রাজমা, চানা, দই, চিজ প্রভৃতি। এই বয়সে অল্প করে ডিমের সাদা অংশ, মাছ এবং মাংসও খাওয়ানো যেতে পারে। তবে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে নেবেন এই বিষয়ে। তারপরেই শিশুর ডায়েটে কোনও পরিবর্তন আনবেন।

Sourch:boldsky

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More

গরমে বড়দেরই জীবনই অতিষ্ঠ হয়ে উঠে তাই ছোটদের তো কথাই নেই। গরমে শিশুরা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি ঘামে। এ সময় তাদের মৌসুমজনিত নানারকম সমস্যা দেখা..

Read More