All the information about baby’s health will be found on our site, Our site is beautifully arranged on the main page, read your favorite topics! All information collected from contemporary scientific sources and this information is not published in any way directly to diagnose or treat the disease. The only goal of creating children’s health awareness

চিকেন পক্সের গৃহ চিকিৎসা

চিকেন পক্স (জল বসন্ত) কি?
চিকেন পক্স হল একটি সাধারণ অসুস্থতা যার বৈশিষ্ট্য হল সমস্ত শরীরে চুলকানি যুক্ত ফুস্কুড়ি বা লাল দাগ বা ফোস্কা পরে যাওয়া। এটা Varicella zoster ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। চিকেন পক্স সাধারণত শিশুদের হয়ে থাকে, কিন্তু প্রায় সকলেরই জীবনে অন্তত একবার চিকেন পক্সে আক্রান্ত হয়। এ রোগটি খুব সহজেই ছড়িয়ে পরে। এটি আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীর থেকে বাতাস বাহিত দূষিত কণার মাধ্যমে ছড়িয়ে পরতে পারে অথবা একজন সুস্থ্য ব্যাক্তি যখন আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরের থেকে ফোস্কা থেকে নির্গত দূষিত তরলের সংস্পর্শে আসে তখন সংক্রমিত হতে পারে। একজন চিকেন পক্সে আক্রান্ত ব্যাক্তি এমনকি তার মধ্যে এর লক্ষণ না দেখা গেলেও এ রোগ ছড়াতে পারে। চিকেন পক্সের প্রথম দিকের উপসর্গের মধ্যে আছে জ্বর, মাথা ব্যাথা, এবং গলা ব্যাথা। প্রথম উপসর্গ দেখা যাওয়ার এক থেকে দুই দিন পর থেকে শরীরে ফুস্কুড়ির দাগ দেখা দেয়। দাগ গুলি বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে যায়, এবং ফোড়া গুলি উপসর্গ প্রকাশের শুরু থেকে ১০ দিনের মধ্যে শুকিয়ে যেতে থাকে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই চিকেন পক্সের কেবল গৃহ চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। গৃহ চিকিৎসা এর কারণে পোড়ানি কমাতে এবং ক্ষতগুলি মিলিয়ে যেতে সাহায্য করে।

চিকেন পক্সের জন্য কিছু গৃহ চিকিৎসাঃ

১. বেকিং সোডা
বেকিং সোডা চামড়াকে পরিস্কার করে এবং পোড়ানি কমায়।
এক গ্লাস পানিতে আধা চা চামচ বেকিং সোডা গুলিয়ে নিন
আক্রান্ত ব্যাক্তিকে এই সলিউশন দিয়ে মুছে দিন
যখন বেকিং সোডা চামড়ার উপরে শুকিয়ে যাবে, চুলকানি বন্ধ হয়ে যাবে।

২. মধু
মধু ক্ষত সারিয়ে তুলতে এবং এর দাগ দূর করার ক্ষমতা আছে। মধু প্রয়োগ করলে ফোস্কা গুলি সেরে উঠবে এবং চুলকানি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
দিনে ২ থেকে ৩ বার ক্ষতস্থানের শুকনা আবরণের উপর মধু মেখে দিন, ক্ষত দূর হয়ে যাবে।

৩. ওট মিল
চুলকানি চিকেন পক্সের সবচেয়ে বড় সমস্যা। ওট মিল দিয়ে গোসল চুলকানি থেকে মুক্তি দিতে পারে।
দুই কাপ ওট মিল চূর্ণ নিন
এক লিটার পানিতে এই চূর্ণ ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে গুলে নিন।
এই মিশ্রণটি কাপড়ের ব্যাগে নিয়ে মুখ বেধে নিন।
ব্যাগটি গোসলের পানিতে ছেড়ে দিন এবং পানি দুধের মত সাদা দেখতে হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এই পানি দিয়ে গোসল করুন।

৪. সবুজ মটর দানা
মটর দানা চুলকানির কারণে পোড়ানি কমায়
২০০ গ্রাম সিদ্ধ সবুজ মটর দানা নিন
এগুলি বেটে একটি পেস্ট তৈরি করুন
এটি ফোস্কার উপরে মেখে এক ঘণ্টা রেখে দিন

৫. নিম
নিমের উচ্চ মাত্রার সংক্রমণ বিরোধী গুণাগুণ আছে এবং এটি চামড়ার বিভিন্ন রকমের সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। নিমপাতা বাটা দিয়ে তৈরি পেস্ট চুলকানি কমায় এবং দ্রুত আরোগ্য করে।
নিমপাতা পানির সাথে মিশিয়ে বেটে পেস্ট তৈরি করে ফোস্কার উপর প্রয়োগ করুন।
১০ থেকে ১৫ মিনিট পরে এটি ধুয়ে ফেলুন।
নিমপাতার আগুনের ধোঁয়া বাতাসে উপস্থিত ভাইরাসকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। এ পদ্ধতি অন্য মানুষের কাছে এ রোগ ছড়িয়ে পরতে বাধা দেয়।
চুলকানি কমানোর জন্য নিমপাতা সিদ্ধ পানিও ব্যবহার করতে পারেন।

৬. হলুদ
হলুদেরও সংক্রমণ বিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়া বিরোধী গুণাগুণ আছে। বিভিন্ন ভাবে আপনি হলুদ ব্যবহার করতে পারেনঃ
চুলকানি কমাতে এবং দ্রুত সেরে উঠতে ২-৩ চা চামচ হলুদ যুক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল করতে পারেন।
চিকেন পক্সের কারণে ক্ষত নিরাময়ের জন্য আপনি হলুদ এবং নিমপাতা দিয়ে তৈরি পেস্ট ফোস্কার উপর প্রয়োগ করতে পারেন।

৭. বাদামী ভিনেগার
এটি সাধারণত চিকেন পক্সের জন্য একটি অন্যতম সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত চিকিৎসা
১/২ কাপ বাদামী ভিনেগার গোসলের জন্য মৃদু গরম পানিতে মিশিয়ে নিন।
পোড়ানি থেকে মুক্তি পেতে এবং সংক্রমিত ক্ষত সারিয়ে তুলতে এই পানি দিয়ে গোসল করুন।

৮. চন্দন কাঠের তেল
এটি চিকেন পক্সের নানারকম উপসর্গ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
চিকেন পক্সের কারণে হওয়া ফোস্কার উপরে খাঁটি চন্দন কাঠের তেল মাখুন।
নিয়মিত চন্দন কাঠের তেল ব্যবহারে চিকেন পক্সের ক্ষতের দাগ দূর হয়।

৯. ভিটামিন ই তেল
চিকেন পক্সের চিকিৎসায় এবং এর ক্ষতের দাগ সারিয়ে তুলতে এটি আরেকটি কার্যকর চিকিৎসা।
ত্বকের উপর ভিটামিন ই তেল মাখুন।
এটি চিকেন পক্সের ফোস্কা এবং এর চিহ্ন গুলির নিরাময়েও সাহায্য করে।

১০. ভেষজ চা
চিকেন পক্স নিরাময়ের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট উপাদান গুলি দিয়ে তৈরি ভেষজ চা পান করলে তা এর নিরাময়ে বেশ কার্যকর হয়।
পুদিনা, ক্যামোমিল, ম্যারিগোল্ড ফুল বা লেমন বাল্ম জাতীয় ভেষজ উপাদান দিয়ে চা তৈরি করুন।
এর সাথে ১/৪ চা চামচ দারুচিনির গুঁড়া, ১ চা চামচ মধু এবং ১ চা চামচ লেবুর রস যোগ করুন।
এভাবে তৈরি চা দৈনিক ৩ থেকে ৪ বার পান করলে সংক্রমণ জাতীয় ক্ষত দ্রুত নিরাময় হয়।

১১. আদা
আদার যে ব্যাকটেরিয়া বিরোধী গুণাগুণ আছে তা চুলকানি কমায়।
আপনার গোসলের পানিতে ২-৩ চা চামচ আদা চূর্ণ মিশিয়ে নিন।
আপনি আদা দিয়ে তৈরি পানীয় পান করতে পারেন। আদা ছোট ছোট টুকরা করে কাপে নিয়ে পাঁচ মিনিট ধরে ফুটান এবং এর সাথে ১ চা চামচ মধু মেশান।
দ্রুত নিরাময়ের জন্য এই মিশ্রণ পান করুন।

১২. Calamine লোশন
Calamine লোশন চুলকানি দূর করে।
গরম পানি দিয়ে গোসল করুন এবং শরীর শুকিয়ে নিন।
ত্বকের উপরে Calamine লোশন মাখুন।
ভাল ফলাফল পাওয়ার জন্য দিনে ২-৩ বার এ চিকিৎসাটি বার বার করুন।

১৩. মসলা এবং তেলের আধিক্য যুক্ত খাবার পরিহার করুন
আপনার মুখের মধ্যে যদি সংক্রমণ জনিত ক্ষত থাকে তবে মসালা যুক্ত খাবার বিশেষভাবে পরিহার করুন। মসলা এবং তেল যুক্ত খাবার লালা নিঃসরণের পরিমাণ বাড়াতে পারে যা ক্ষতের সংক্রমণকে আরও খারাপ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে।
কম স্বাদের, তেল কমযুক্ত খাবার ক্ষত স্বাভাবিক পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত অন্তত দশ থেকে পনের দিন যাবত খেতে থাকুন।

১৪. গাজর এবং ধনিয়ার স্যুপ
১০০ গ্রাম গাজর এবং ৬০ গ্রাম ধনে পাতা কেটে নিন।
দুই কাপ ফুটন্ত পানিতে এগুলি কিছুক্ষণের জন্য দিন। এখন এগুলি তুলে ফেলে অবশিষ্ট টুকু স্যুপ হিসাবে পান করুন। চিকেন পক্স কার্যকরভাবে নিরাময়ের জন্য কয়েকদিন এরকম ভাবে চালিয়ে যান।

১৫. পরিপূর্ণ বিশ্রাম নিন
কার্যকর ভাবে চিকেন পক্স নিরাময়ের জন্য বিশ্রাম খুবই প্রয়োজনীয়।
শান্ত, বাতাস চলাচল যুক্ত ঘরে দিনের বেশীর ভাগ সময় বিছানায় শুয়ে কাটান যাতে আপনি চিকেন পক্স থেকে কার্যকর ভাবে মুক্তি পেতে পারেন।
সূর্যালোক এবং যন্ত্রণাদায়ক আলো যেন চোখে না পরে তা নিশ্চিত করুন। কিন্তু এমন ঘরে থাকুন যেখানে উত্তম রূপে বাতাস চলাচল করে।

আপনি কি চিকেন পক্সে ভুগছেন? আপনি কি এর থেকে মুক্তি পেতে অনেক কষ্ট করছেন? তবে এর থেকে দ্রুত মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যেতে এসকল গৃহ চিকিৎসা গুলি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

সূত্রঃ health prior 21

শিশুদের দেহে বড়দের তুলনায় পানির ভাগ বেশি থাকে। রোজাতে শিশুদের পানিশূন্যতা বেশি হয়। রোজাতে শিশুদের অনেকক্ষণ খাবার না খেয়ে থাকতে হয় বলে মাথাব্যথা, বমি বমি..

Read More

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে ঘি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আজকাল আমরা বাবা-মায়েরা এতটাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছি যে ফ্যাটের ভয়ে বাচ্চাদের এই ঘি খাওয়ানো এক প্রকার..

Read More

গরুর দুধের কৌটা বা প্যাকেটের নিচের কোনায় ছোট্ করে লেখা থাকে “এক বছরের নিচের শিশুর জন্য প্রযোজ্য নয়”। কিন্তু কখনো কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি..

Read More